ডেস্ক রিপোর্টার, ১ লা জুলাই।।
নেশা কারবারীদের আস্ফালনে অতিষ্ঠ হয়ে তিন গ্রামের মানুষ সম্মিলিতভাবে দারস্ত হয়েছে রাজধানী পুলিশের দরজায়। মঙ্গলবার শহরের পশ্চিম থানা, পশ্চিম আগরতলা মহিলা থানা ও সদর এসডিপিও’ র অফিসে প্রতিবাদী লোকজন জড়ো হয়ে মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলে। আইন অনুযায়ী মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ ব্যবস্থা না দিতে পারলে গ্রামবাসীরা বাধ্য হয়ে শুরু করবে নিজস্ব ট্রিটমেন্ট। তারা স্পষ্টভাবে একথা জানিয়ে দিয়েছে শহরের তথাকথিত নেটওয়ার্ক সমৃদ্ধ থানা পুলিশকে।
ঘটনা শহরের দক্ষিণে রান্নাঘর এলাকার জলাখা বস্তিতে। স্থানীয় লোকজন প্রতিদিন নেশা কারবারিদের উপদ্রবে দিশাহীন হয়ে ওঠছে। গ্রামবাসীদের বক্তব্য, দক্ষিণ রামনগর, রাজনগর এবং জয়পুর এলাকায় প্রতিদিন মাদক ব্যবসায়ীদের কার্যকলাপ বেড়েই চলছে। বিভিন্ন সময়ে তারা মাদক কারবারীদের আটক করেছিলো। এই নিয়ে গ্রামে অনুষ্ঠিত হয় সালিশি সভাও। তারপরও সংশ্লিষ্ট অঞ্চলগুলিতে মাদক কারবারের রাশ না অসম্ভব হয়ে উঠেছে। শেষ পর্যন্ত তারা বাধ্য হয়ে মাদক কারবারীদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করে। প্রতিবাদী লোকজন মাদক কারবারের বিরুদ্ধে মাঠে নেমে ভক্ত নামে এক যুবককে আটক করে। তার স্বীকারোক্তি মূলে আরো কয়েকজনের নাম জানা যায়। ভক্ত গ্রামবাসীদের জানায়, এই অঞ্চলে গোটাচক্রের মাস্টারমাইন্ড মামুন নামে এক যুবক। এই খবর পৌঁছে যায় মামুনের ডেরায়। মামুন এখন দেখে দেখে গ্রামের প্রতিবাদী লোকজনকে নানান হুমকি হজ্জ্বতি দিচ্ছে। তাতেই বাধ্য হয়ে এলাকার লোকজন দ্বারস্ত হয়েছে পুলিশের। উত্তেজিত জনতা পুলিশকে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে, নেশা কারবারীদের বিরুদ্ধে তারা আইন অনুযায়ী কোনা ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে, পরিণতি ভালো হবে না।গ্রামবাসীরা সম্মিলিতভাবে নেশা কারবারিদের ধরে দিতে পারে গণধোলাই। এই আশঙ্কার কথাও তারা শুনিয়েছে পুলিশকে।

