এলাকাবাসীর অভিযোগ, বারবার এমন ঘটনা ঘটলেও বন দপ্তর ও রাজস্ব দপ্তরের সমন্বয়হীনতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো যথাযথ সহায়তা পাচ্ছেন না। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন— দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে হাতির উপদ্রব রোধ করা হোক, নইলে রাতের অন্ধকারে এই তাণ্ডব একদিন বড় বিপর্যয় ডেকে আনবে।
তেলিয়ামুড়া ডেস্ক, ১জানুয়ারি।।
রাতের অন্ধকারে ফের বন্য হাতির তাণ্ডব তেলিয়ামুড়ার দক্ষিণ ঘিলাতলীর ছনখলা এলাকায়। বুধবার গভীর রাতে প্রায় বারোটার সময় একটি বন্য হাতি গ্রামে প্রবেশ করে। এবং স্থানীয় বাসিন্দা সাধন বিশ্বাসের বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর করে।হাতিটি প্রথমে বসতঘরের দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে একটি টিভি ও আলমারি ভেঙে দেয়। এরপর পাশের ঘরের দরজা ভেঙে সেখানে থাকা ধানের বস্তা টেনে নিয়ে যায়।জানিয়েছেন সাধন বিশ্বাস।
ঘটনার খবর পেয়ে কল্যাণপুর বন দপ্তরের রেঞ্জ অফিসার বিশু নন্দি ঘটনাস্থলে ছুটে যান।তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে দেখা করে আশ্বাস দেন যে, যত দ্রুত সম্ভব ক্ষতিপূরণের রিপোর্ট প্রস্তুত করে তিনি দপ্তরে পাঠাবেন । রেঞ্জারের বক্তব্য,
ক্ষতিপূরণের অর্থ রাজস্ব দপ্তরের মাধ্যমে দেওয়া হয়।
সাধন বিশ্বাসের অভিযোগ, কৃষ্ণপুর তহশিলদার মানিক চন্দ্র এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা করতে অনীহা দেখাচ্ছেন। তহশিলদার অনুমোদন দিলে দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ক্ষতিপূরণ পাবেন। প্রাথমিক ভাবে দুই ঘরের ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকার মতো বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, বারবার এমন ঘটনা ঘটলেও বন দপ্তর ও রাজস্ব দপ্তরের সমন্বয়হীনতায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো যথাযথ সহায়তা পাচ্ছেন না। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছেন— দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে হাতির উপদ্রব রোধ করা হোক, নইলে রাতের অন্ধকারে এই তাণ্ডব একদিন বড় বিপর্যয় ডেকে আনবে।

