রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কথায়, রাজ্যের পাহাড়ে কংগ্রেসের সংগঠনকে দূরবীন দিয়েও দেখা যায় না। বলতে গেলে পাহাড়ে কংগ্রেস বরাবর “পরজীবী”। ১৯৮৮ সাল থেকে পাহাড়ে কখনও কংগ্রেসের বন্ধু টিইউজিএস, কখনও আইএনপিটি বা আইপিএফটি। সুতরাং পাহাড়ে কংগ্রেসের সংগঠন শুধুই নাম মাত্র। এডিসি এলাকাগুলিতে আজকের দিনে কংগ্রেসের সাইনবোর্ডও খুঁজে পাওয়া যাবে না।
ডেস্ক রিপোর্টার , ১৪ মার্চ ।।
কংগ্রেস – সিপিআইএম দুই মিত্র শক্তির ফাটল। রাজ্য রাজনীতিতে কংগ্রেসকে কোনো রকম গুরুত্ব না দিয়েই ধর্মনগর কেন্দ্রের উপ নির্বাচন ও আসন্ন এডিসি নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে সিপিআইএম। ঘুরিয়ে বললে রাজ্য বামফ্রন্ট। মেলারমাঠ তাদের এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বুঝিয়ে দিয়েছে, তারা কংগ্রেসকে গুরুত্ব দিতে নরাজ। বরং কংগ্রেসের হাত না ধরে একলা চলো নীতি অবলম্বন করেছে কমিউনিস্টরা। এটা অবশ্যই সুদীপ – আশীষদের জন্য লজ্জা।বলছেন রাজনীতিকরা।
১৯৮৮ সাল থেকে পাহাড়ে কখনও কংগ্রেসের বন্ধু টিইউজিএস, কখনও আইএনপিটি বা আইপিএফটি। সুতরাং পাহাড়ে কংগ্রেসের সংগঠন শুধুই নাম মাত্র।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কথায়, রাজ্যের পাহাড়ে কংগ্রেসের সংগঠনকে দূরবীন দিয়েও দেখা যায় না। বলতে গেলে পাহাড়ে কংগ্রেস বরাবর “পরজীবী”। ১৯৮৮ সাল থেকে পাহাড়ে কখনও কংগ্রেসের বন্ধু টিইউজিএস, কখনও আইএনপিটি বা আইপিএফটি। সুতরাং পাহাড়ে কংগ্রেসের সংগঠন শুধুই নাম মাত্র। এডিসি এলাকাগুলিতে আজকের দিনে কংগ্রেসের সাইনবোর্ডও খুঁজে পাওয়া যাবে না। তাই আসন্ন এডিসি নির্বাচনে নির্বাচনে কংগ্রেসকে পাতে তোলার প্রয়োজন মনে করেন নি মেলারমাঠের লালবাড়ির দণ্ডমুন্ডের কর্তারা।

ধর্মনগরে উপ ভোটে সিপিআইএম একা বিজেপিকে কিছুই করতে পারবে না।
ধর্মনগরের রাজনীতিতে অবশ্যই কংগ্রেসকে ধরতে হবে ধাতব্যের মধ্যে। এক সময় ধর্মনগর ছিলো কংগ্রেসের গড়। কংগ্রেসের টিকিট থেকেই টানা বিধায়ক হিসাবে নির্বাচিত হয়েছিলেন প্রয়াত বিশ্ববন্ধু সেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বিজেপিতে যোগ দেওয়াতে আসনটি দখল নিয়েছিল ভাজপা। আসন্ন এডিসি নির্বাচনের সঙ্গেই ধর্মনগর বিধানসভা কেন্দ্রে হবে উপভোট। কিন্তু এই কেন্দ্রের জন্যও প্রার্থী ঘোষণা করেছে সিপিআইএম। টিকিট পেয়েছেন প্রাক্তন বিধায়ক তথা কমিউনিস্ট নেতা অমিতাভ দত্ত।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণদের মতে, ” ধর্মনগরে সিপিআইএম একা বিজেপিকে কিছুই করতে পারবে না। ২৩- র বিধানসভা নির্বাচনের মতো জোট হয়ে লড়াই করলে কিছুটা বেগ দিতে পারতো। কিন্তু একা শক্তিতে উল্টে ধুলিস্যাৎ হয়ে যাবে।”
বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে সিপিআইএম আন্তরিক নয়। বরং তারা বিজেপিকে বৈতরণী পার সাহায্য করবে।

বামেদের একলা চলো নীতি ভালো ভাবে নেয় নি পোস্ট অফিস চৌমুহনীর আবাসিকরা। কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন প্রকাশ্যে বামেদের ভূমিকা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করতে সিপিআইএম আন্তরিক নয়। বরং তারা বিজেপিকে বৈতরণী পার সাহায্য করবে। কংগ্রেস ধর্মনগর উপ নির্বাচন ও এডিসি নির্বাচনে পৃথক ভাবে প্রার্থী দেবে।”

