প্রার্থীর দৌঁড়ে রয়েছেন রাজ্য মহিলা কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারপারসন বর্ণালী গোস্বামীর স্বামী জহর চক্রবর্তী। তাঁর গোটা পরিবার আদি বিজেপি। বহু বছর আগে বিজেপির টিকিটে তিনি বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করেছিলেন। জনপ্রিয়তা নেহাত খারাপ নয়।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১৮ মার্চ।।
ধর্মনগর কেন্দ্রের উপ নির্বাচনকে সামনে রেখে টগবগ করছে বিজেপির ঘরোয়া রাজনীতি। দলীয় প্রার্থী নিয়ে চলেছে দড়ি টানাটানি। শেষ পর্যন্ত কার ললাটে আসবে দলীয় টিকিট তা নিয়ে চলেছে জল্পনা। সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন বেশ কয়েকজন নেতা – নেত্রী। তারা সাবাই ঘুর পথে রাজ্য ও কেন্দ্রিয় নেতৃত্বের কাছে দলের জন্য কাজ করা রিপোর্ট কার্ড পাঠিয়ে দিয়েছেন। এখন বল কেন্দ্রিয় ও রাজ্য নেতৃত্বের কোর্টে।আগরতলার কৃষ্ণ নগরের কুশাভাউ ভবনের খবর অনুযায়ী, আগামী দুয়েকদিনের মধ্যেই ঘোষনা হতে পারে বিজেপির ধর্মনগর কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম। তাই স্থানীয় দলীয় নেতা – কর্মীদের মধ্যে বাড়ছে রাজনৈতিক উষ্ণতা।

প্রদেশ বিজেপির অন্দর মহলের খবর অনুযায়ী, প্রার্থীর দৌঁড়ে রয়েছেন রাজ্য মহিলা কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারপারসন বর্ণালী গোস্বামীর স্বামী জহর চক্রবর্তী। তাঁর গোটা পরিবার আদি বিজেপি। বহু বছর আগে বিজেপির টিকিটে তিনি বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করেছিলেন। জনপ্রিয়তা নেহাত খারাপ নয়। সম্ভাব্য প্রার্থীর আছেন রাজ্যের আরএসএস প্রধান বিকে রায়। তবে সংগঠক হিসাবে তাঁর তেমন কোনো হাকডাক নেই। তিনি ছিলেন রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন আইজি। ধর্মনগর পুর সভার কাউন্সিলর রূপালী অধিকারীর নামও সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় ভেসে উঠতে শুরু করেছে। আছেন অমিয়াংশু শর্মা। তিনি বিজেপির উত্তর জেলা কমিটির সদস্য।

ধর্মনগর বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য,রূপালী ও অমিয়াংশু- র হয়ে ব্যাটন ধরেছেন রাজ্য মন্ত্রিসভার এক সদস্য। যিনি মুখ্যমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ। প্রার্থীর দৌঁড়ে খুব একটা পিছিয়ে নেই বিজেপির উওর জেলার সভাপতি কাজল দাস। সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তালিকার শেষ প্রান্তে আছেন রাজ্য মহিলা কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারপারসন বর্ণালী গোস্বামীও। সব মিলিয়ে ধর্মনগর কেন্দ্রের প্রায়ত বিধায়ক বিশ্ববন্ধু সেনের স্থলাভিষিক্ত কে হবেন? তা নিয়ে রীতিমত রাতের ঘুম উবে যাচ্ছে ভাজপার কেন্দ্রিয় ও রাজ্য নেতৃত্বের।
ইতোমধ্যে সিপিআইএম তাদের প্রার্থী ঘোষনা করে দিয়েছে। তারা প্রার্থী করে প্রাক্তন বিধায়ক অমিতাভ দত্তকে। পৃথক ভাবে প্রার্থী দেবে কংগ্রেসও। গোটা ধর্মনগরের মানুষ এখন তাকিয়ে আছে আগরতলার কৃষ্ণনগরের গেরুয়া বাড়ির থিঙ্কট্যাঙ্কদের দিকে।

