রাজ্যের জঙ্গি সংগঠন এনএলএফটির দুই ডাক সাইটের জঙ্গি নেতা অনন্ত দেববর্মা ও উৎপল দেববর্মা বিজেপি – মথা দুই রাজনৈতিক দল থেকে লড়াই করছে। অর্থাৎ অতীত দিনে তারা সাধারণ মানুষের রক্ত ঝরিয়েছে। আর এখন তাদেরকেই ভোট দেবে সাধারণ জনতা।
ডেস্ক রিপোর্টার,১১ এপ্রিল।।
আসন্ন এডিসি নির্বাচনের ভোট ময়দানে ফের রক্ত পিপাসু জঙ্গিরা। ভোটে জয়ী হলে তারাই হবেন এমডিসি। অর্থাৎ জন প্রতিনিধি। খুমুলুঙ- এ বসে পরিচালনা করবে পাহাড়।বিজেপি – তিপ্রামথা উভয় শিবিরেই আছে নিজ নিজ সময়ের দুই জাঁদরেল জঙ্গি নেতা।
বিজেপির টিকিটে ৯- হালাহালি – আশারাম বাড়ি থেকে লড়াই করছে এনএলএফটি’ র প্রাক্তন জঙ্গি নেতা অনন্ত দেববর্মা। ২১- র এডিসি নির্বাচনে মথার টিকিটে জয়ী হয়ে অনন্ত এডিসির ইএম হয়েছিলেন। এবার তার কপালে মথার টিকিট জুটবে না ভেবে শিবির ত্যাগ করে চলে এসেছে বিজেপিতে। এবং বাগিয়ে নিয়েছে টিকিট।

অপর জন উৎপল দেববর্মা। জঙ্গি সংগঠন এনএলএফটির বিশ্বমোহন গোষ্ঠীর শীর্ষ নেতৃত্বের অন্যতম ছিলো উৎপল। পেশায় ইঞ্জিনিয়ার।অতীতে রাজ্যকে রক্তস্নাত করতে উৎপলের অনেক অবদান রয়েছে।এই জঙ্গি নেতা উৎপলকে টিকিট দিয়েছেন তিপ্রামথার প্রধান প্রদ্যুৎ কিশোর।

উৎপল লড়াই করছে ১১-মহারানীপুর – তেলিয়ামুড়া কেন্দ্র থেকে। এই কেন্দ্রে তার প্রতিদ্বন্দ্বী মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মার মেয়ের জামাতা বিল্লু জমাতিয়া। অবশ্যই প্রাক্তন জঙ্গি নেতাদের প্রার্থী দেওয়ার ক্ষেত্রে নিজেদের মধ্যে দারুণ সাদৃশ্য বজায় রেখেছে রাজ্যের জোট শরিক বিজেপি – মথা।

রাজ্য রাজনীতিতে এটা নতুন কোনো খেলা নয়। বাম জমানাতে প্রাক্তন জঙ্গিরা এডিসির এমডিসি ও রাজ্যের বিধায়ক – মন্ত্রী হয়েছে। তাদের মধ্যে অন্যতম রাজ্যের প্রয়াত প্রাক্তন মন্ত্রী খাগেন্দ্র জমাতিয়া। তিনিও ছিলেন একজন জাঁদরেল জঙ্গি নেতা। অবশ্যই রাজনীতিতে এসে খগেন্দ্র পাল্টে যান। কাজ করেন মানুষের জন্য।বামেদের এই ধারাকে আজকের দিনেও অব্যাহত রাখছে পদ্ম ও আনারস শিবির।

