স্মরণীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে দুই ইনিংসে ব্যর্থ হলেও বল হাতে সফল অলরাউন্ডার মনি শংকর মুড়া সিং। তুলে দেন বিপক্ষের ছয়টি উইকেট। মূলত মনি শঙ্করের আগুন ঝরানো বোলিংয়ের সামনে বড় রানের লিড দিতে ব্যর্থ হয়েছে সফররত উত্তরাখণ্ড।

স্পোর্টস ডেস্ক,২৪ জানুয়ারি।।
         শেষ দিনে এমবিবি স্টেডিয়ামের ২২ গজে বরাবরই দাপট দেখান বোলাররা। দেখা যায় বল ঘুরতেও। ওই অবস্থায় ত্রিপুরার বোলাররা যদি রবিবার শেষ দিনে জ্বলে উঠতে পারেন তাহলে উত্তরাখণ্ডের জয় পেতে পারে ত্রিপুরা। সবকিছু নির্ভর করবে বোলারদের উপর। তবে তৃতীয় দিনের শেষে কিছুটা হলেও ঘরের মাঠে ব্যাকফুটে রয়েছে রাজ্য দল। রঞ্জি ট্রফি ক্রিকেটে। আপাতত ২১২ রানে গিয়ে রাজ্য দল। হাতে রয়েছে দুই উইকেট। রবিবার শেষ দিনে যদি আরও ৫০ রান যোগ করতে পারে তাহলে লড়াই জমবে। এম বি বি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ত্রিপুরার ২৬৬ রানের জবাবে উত্তরাখন্ড ৩০১ রান করে। ৩৫ রানে পিছিয়ে থেকে তৃতীয় দিনের শেষে স্বাগতিক ত্রিপুরা ৮ উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রান করে। স্মরণীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে দুই ইনিংসে ব্যর্থ হলেও বল হাতে সফল অলরাউন্ডার মনি শংকর মুড়া সিং। তুলে দেন বিপক্ষের ছয়টি উইকেট। মূলত মনি শঙ্করের আগুন ঝরানো বোলিংয়ের সামনে বড় রানের লিড দিতে ব্যর্থ হয়েছে সফররত উত্তরাখণ্ড। ত্রিপুরার ২৬৬ রানের জবাবে উত্তরাখণ্ড প্রথমে লিখছে ৩০১ রান করতে সক্ষম হয়েছে। এক সময় ১২৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে খাদের কিনারায় ছিল সফররত দল। ওই অবস্থায় সুচিত জে এবং সৌরভ রাওয়াত কড়া প্রতিরোধ গড়ে তুলেন। ত্রিপুরার অধিনায়ক তার বোলারদের ক্রমাগত ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বল করিয়েও ওই জুটিকে দ্রুত ভাঙতে পারেননি। সপ্ত উইকেটে ওই জুটি ২৮০ বল খেলে ১৭১ রান যোগ করে দলকে লিড এনে দেন। সুজিত ১৪৮ বল খেলে আটটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৮৬ এবং সৌরভ ১৪৩ বল খেলে সাতটি বাউন্ডারি সাহায্যে ৮০ রান করেন। এছাড়া দলের পক্ষে লক্ষ্য রাইচন্দানি ১০৯ বল খেলে ১১ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৬৫ এবং শাশ্বত ডাঙ্গাল ৮৭ বল খেলে তিনটি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৪২ রান করেন। ত্রিপুরার পক্ষে মনি শংকর মুড়া সিং ৪৮ রানে ছয়টি এবং অভিজিৎ সরকার ৬৪ রানে তিনটি উইকেট দখল করেন। ৩৫ রানে পিছিয়ে থেকে ত্রিপুরার ইনিংসের শুরুটা ভালো হয়নি। দলীয় এক রানের মাথায় বাবুল দে – কে হারিয়ে চাপে পড়ে যায় রাজ্য দল। ওই অবস্থায় বিক্রম কুমার দাসের সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তুলেন বিক্রম দেবনাথ। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় দিনের শেষে ত্রিপুরা ৮৪ ওভার ব্যাট করে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রান করে। উইকেট রক্ষক ব্যাটসম্যান সেন্টু সরকার ১৩৬ বল খেলে তিনটি বাউন্ডারি সাহায্যে ৫০ রানে এবং অভিজিৎ সরকার ৬৩ বল খেলে দুটি বাউন্ডারি সাহায্যে ১২ রানে অপরাজিত রয়েছেন। এছাড়া ত্রিপুরার পক্ষে বিক্রম দেবনাথ ১৩০ বল খেলে চারটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৪৮, বিক্রম কুমার দাস ৫৩ বল খেলে সাতটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৩৮, পেশাদার ক্রিকেটার বিজয় শংকর ৪৫ বল খেলে পাঁচটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৩০ এবং মনি শংকর মুড়া সিং ৩২ বল খেলে দুটি বাউন্ডারি সাহায্যে ১৮ রান করেন। উত্তরাখণ্ডের পক্ষে মায়াঙ্ক মিশ্র ৭৯ রানে চারটি উইকেট দখল করেন। ত্রিপুরা এগিয়ে রয়েছে ২১২ রানে। আজ শেষ দিনে বোলারদের দিকে তাকিয়ে থাকবে রাজ্যের ক্রিকেটপ্রেমীরা।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *