স্পোর্টস ডেস্ক, ৯ মার্চ।।
হোয়াইট ওয়াশ এর পথে ত্রিপুরা। টানা চার ম্যাচে পরাজিত হয়ে। গ্রুপের শেষ ম্যাচে বুধবার ত্রিপুরা খেলবে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে। ওই ম্যাচের পর নির্ধারিত হবে কোন দল আগামী বছর প্লেট গ্রুপে নেমে যাবে। সোমবার আসরের চতুর্থ ম্যাচে ত্রিপুরাকে খেলায় পরাজিত করে গ্রুপের শীর্ষে পৌঁছে গেল শক্তিশালী মহারাষ্ট্র। চার ম্যাচ খেলে সব কটিতে জয় পেয়ে। অনূর্ধ্ব ২৩ বালিকাদের এক দিবসীয় ক্রিকেটের এলিট গ্রুপে। পুদুচেরির সিএপি মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে এদিন মহারাষ্ট্র ৯ উইকেটে পরাজিত করে ত্রিপুরাকে। ব্যাটসম্যানদের চূড়ান্ত ব্যর্থতায় ত্রিপুরার গড়া মাত্র ১০২ রানের জবাবে মহারাষ্ট্র এক উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয়। এদিন সকালে টসে জয়লাভ করে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট হারাতে থাকে ত্রিপুরা। রাজ্য দলের ক্রিকেটারদের যোগ্যতা নিয়েও এদিন প্রশ্ন উঠলো। আদৌ জাতীয় খেলার মত যোগ্যতা কত জন ক্রিকেটারের রয়েছে তা নিয়ে রয়েছে যথেষ্ট সন্দেহ। রাজ্য ছাড়ার আগেই ত্রিপুরা দলের টিম ম্যানেজমেন্টের বক্তব্য ছিল এলিটে টিকে থাকাই একমাত্র লক্ষ্য। তা থেকেই অনুমান করা হয়েছিল দলের শক্তি কতটা। যার আভাস পাওয়া যাচ্ছে জাতীয় আসরে। মহারাষ্ট্রের বিরুদ্ধে টসে জয়লাভ করে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ত্রিপুরার ইনিংস গুটিয়ে যায় মাত্র ১০২ রানে। রাজ্য দলের পক্ষে অস্মিতা দাস, আম্বেশা দাস এবং তানিশা দাস কিছুটা লড়াই করার মানসিকতা দেখিয়েছেন। বাকিরা কার্যত অবুঝ ক্রিকেটারদের মতো উইকেট ছুড়ে দিয়ে এসেছেন বলে জানা গেছে। ত্রিপুরার পক্ষে অস্মিতা ৪৭ বল খেলে একটি বাউন্ডারির সাহায্যে ২২, আম্বেশা তেত্রিশ বল খেলে চারটি বাউন্ডারির সাহায্যে ২০ এবং তানিশা ১৩ বল খেলে তিনটি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৬ রান করেন। দলের আর কোনও ক্রিকেটার দুই অঙ্কের রানে পা রাখতে পারেননি। দল অতিরিক্ত খাতে পায় ১২ রান। মহারাষ্ট্রের পক্ষে গায়ত্রী সূর্বাসে ১৮ রানে তিনটি এবং আই এম পাথারে ৩১ রানের দুটি উইকেট দখল করেন। জবাবে খেলতে নেমে ত্রিপুরা নির্বিষ বোলিংয়ের সামনে শুরু থেকেই দ্রুত রান তোলার দিকে নজর দেন মহারাষ্ট্রের ক্রিকেটাররা। শেষ পর্যন্ত ৬৬ বল খেলে এক উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয়। দলের হয়ে কে এন মুল্লা ৩৪ বল খেলে পাঁচটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৪৪ রানে এবং সুহানি কাহান্ডাল তের বল খেলে পাঁচটি বাউন্ডারির সাহায্যে ২৬ রানে অপরাজিত থেকে যান। এছাড়া দলের পক্ষে ঈশ্বরী সবকর কুড়ি বল খেলে পাঁচটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৩১ রান করেন। ১১ মার্চ ত্রিপুরা শেষ ম্যাচ খেলবে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে।

