গত ১৯ জানুয়ারি ভারত সফরে এসেছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। তাঁর সফর ছোট হলেও রাজনৈতিক ভাবে ছিলো বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। ভারত সফরে এসে নাহিয়ান পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, খাদ্য সুরক্ষা, বাণিজ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে নয়াদিল্লির সঙ্গে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন।

ডেস্ক রিপোর্টার, ২৬ জানুয়ারি।।
    সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের ভারত সফরে বদলে গিয়েছে ভারতীয় উপমহাদেশের ভূরাজনৈতিক সমীকরণ।কপালে ভাঁজ পড়েছে পাকিস্তানের। ইসলামাবাদের সঙ্গে চুক্তি ভেঙে দিয়েছে আরব আমিরাত।২০২৫ সালের অগস্ট থেকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পরিচালনা সংক্রান্ত চুক্তি নিয়ে কথা হচ্ছিল আবুধাবি এবং ইসলামাবাদের মধ্যে । এখন সেই চুক্তি থেকে সরে দাঁড়ালো  আবুধাবি। আন্তর্জাতিক কূটনৈতিকদের বক্তব্য, “এটা পাকিস্তানের জন্য বড় ধাক্কা।”
গত ১৯ জানুয়ারি ভারত সফরে এসেছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। তাঁর সফর ছোট হলেও রাজনৈতিক ভাবে ছিলো বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। ভারত সফরে এসে নাহিয়ান পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র, জ্বালানি, প্রতিরক্ষা, খাদ্য সুরক্ষা, বাণিজ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে নয়াদিল্লির সঙ্গে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন।

সম্পর্ক ছিন্ন আবুধাবি – ইসলামাবাদের।

ভারতে আসা সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদের সমাদরের কোনো কমতি ছিলো না। খোদ দেশের প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাকে “ভাই” বলে সম্বোধন করেন। একই গাড়িতে হাসি মুখে সফর করেন দুই রাষ্ট্রনেতা মোদী ও শেখ মহাম্মদ।


সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট দেশে ফিরে গিয়েই ইসলামাবাদের সঙ্গে চলতে থাকা চুক্তি থেকে সরে যান। আবুধাবি স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেয়, ” ইসলামাবাদের সংগে সংশ্লিষ্ট চুক্তিতে তারা আগ্রহী নয়।” আন্তর্জাতিক কূটনৈতিকদের বক্তব্য, আবুধাবির এই সিদ্ধান্তে ঘুর পথে লাভবান হয়েছেন ভারত। নয়া দিল্লির সঙ্গে বন্ধুত্ব টিকিয়ে রাখতে ইসলামবাদের সঙ্গে আবুধাবি যে সম্পর্ক ছিন্ন করতে প্রস্তুত, তা জলের মতো স্পষ্ট হয়ে যায়।



                           


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *