ডেস্ক রিপোর্টার, ১লাজানুয়ারি।।
               নির্বাচনের আগেই প্রবল স্নায়ু চাপে শাসক দল বিজেপি ।নৈতিক পরাজয় হল সুদীপ রায় বর্মনের কাছে। ৬-আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রে সুদীপের বিরুদ্ধে প্রার্থী দিতে গিয়ে মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয়েছে বিজেপি নেতৃত্বকে। শেষ পর্যন্ত কাউকে না পেয়ে দলের সাধারণ সম্পাদিকা পাপিয়া দত্তকে প্রার্থী করে বিজেপি । পাপিয়াকে প্রার্থী করা মানেই ভোটের আগেই ৬-আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির পরাজয় বরণ করা। ঘুরিয়ে বললে সুদীপের কাছে বিনা যুদ্ধে আত্মসমর্পণ দেশ ও রাজ্যের শাসক দলের।
          রাজনীতিকরা বলছেন, গত পাঁচ বছরে শাসক দল বিজেপি হেভিয়েট কোন নেতা তৈরি করতে পারেনি। যারা সুদীপ রায় বর্মনকে রাজনীতির বাজারে টেকা দিতে পারেন। তবে অবশ্যই এই ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক।  বিপ্লব কুমার দেবকে দল টিকিটই দেয়নি ।প্রতিমা ভৌমিক লড়াই করবেন ধনপুর থেকে। বিপ্লব- প্রতিমা ল্যায়ারের পর রাজ্য বিজেপি আর কোন নেতা তৈরি করতে পারিনি, যারা সুদীপের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকতে পারে। প্রার্থীর তালিকা তৈরিতে বিজেপির এই টানা হ্যাচার জন্য ভোটের আগেই সুদীপ চলে এলেন  স্পট লাইটে।এটা অবশ্যই ভোট ময়দানে সুদীপ বর্মনকে অনেক বেশি বুস্টআপ করবে।
          রাজনীতিকরা বলছেন, গত উপনির্বাচনে অশোক সিনহাকে বড় ব্যবধানে ভোটে পরাজিত করেছিলেন সুদীপ রায় বর্মন। তুলনামূলকভাবে পাপিয়া দত্ত থেকে অশোক সিনহা অনেক বেশি হেভিওয়েট প্রার্থী ছিলেন। সমাজে তার গ্রহণযোগ্যতা ছিল অনেক বেশি।তারপরও সুদীপ সাইক্লোনের সামনে অশোক দাঁড়াতে পারেনি উড়ে যান খড় কুটুর মতো। অথচ উপনির্বাচনে সুদীপ রায় বর্মনকে পরাজিত করার জন্য দেশ ও রাজ্যের শাসক দল বিজেপি সব ধরনের শক্তি প্রয়োগ করেছিল। কিন্তু সফল হয়নি।  মানুষ দাঁড়িয়েছিল সুদীপের পাশে। দিয়েছিলো ভোট। ২৩ র বিধানসভা নির্বাচনের আগেই ৬- আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি তার পরাজয় নিশ্চিত করেছে । কেননা বড় ধরনের কোন অঘটন না ঘটলে নির্বাচনী ময়দানে সুদীপকে হারাতে পারবেন না পাপিয়া।বিজেপির প্রার্থী পাপিয়া দত্তের গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্নচিহ্ন রয়েছে। লোকমুখে নানান অভিযোগ শোনা যায় তার বিরুদ্ধে। স্বাভাবিকভাবেই আগরতলা কেন্দ্রের লোকজন ভোটের মুক্ষম সময়ে পাপিয়াকে কতটা মান্যতা দেবে তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। এবং সুদীপ রায় বর্মন নিশ্চিত হয়ে গেছেন তার জয় নিয়ে।পাশাপাশি কংগ্রেসের স্কোরবোর্ডে আসন সংখ্যার জায়গাতে আগেই স্থান করে নিল “০১” সংখ্যাটি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *