
তেলিয়ামুড়া ডেস্ক,আগরতলা।।
পাহাড়ে টালমাটাল তিপ্রামথা।গণহারে মথা ছাড়ছে জনজাতিরা।পাহাড়ে বাড়ছে গেরুয়া দাপট।চিন্তার ভাঁজ মথার নেতৃত্বের কপালে।
তিপ্রামথার সুপ্রিমো প্রদ্যুৎকে ফের কটাক্ষ করলেন বিজেপি নেত্রী তথা তেলিয়ামুড়ার বিধায়িকা কল্যাণী রায়। কল্যানী তিপ্রামথার গ্রেটার তিপ্রাল্যান্ডের দাবিকে রীতিমতো ঠান্ডা মাথায় বিদ্রুপ করে বলেন, এই রাজ্যে তিপ্রাল্যান্ড কখনো সম্ভব নয়। এটা বিলক্ষণ বুঝতে পেরেছে জনজাতি সম্প্রদায়ের মানুষ। শুধু তাই নয়, মথার প্রধান প্রদ্যুৎ নিজেও বুঝে গিয়েছেন তিপ্রাল্যান্ড কখনো হবে না।

তাই তিনি কৌশলে তিপ্রাল্যান্ডের দাবি থেকে সরে গিয়েছেন।প্রদ্যুৎ এখন চাইছেন সাংবিধানিক সমাধান। এটা করতে প্রস্তুত রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকার।

বিধায়িকা কল্যাণী রায় বলেন, গোটা তেলিয়ামুড়া বিধানসভা কেন্দ্রের মথার সমর্থকরা এখন বিজেপিতে যোগ দিচ্ছে। বিভিন্ন জায়গাতেই হবে যোগদান সভা। তার অঙ্গ হিসাবে রবিবার হদ্রাইয়ে অনুষ্ঠিত হয় একটি যোগদান সভা।এই সভায় ৪২পরিবারের ১০৯জন ভোটার তিপ্রামথা ছেড়ে যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে।

এদিনের এই সভাতে উপস্থিত ছিলেন তেলিয়ামুড়ার বিজেপি নেতা নিতীন কুমার সাহা, নন্দন রায় সহ অন্যান্যরা নেতৃত্ব। সম্প্রতি পাহাড়ে তিপ্রামথা ভাঙার কাজ শুরু করেছে বিজেপি। প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে তিপ্রামথার লোকজন ঝুঁকছে বিজেপির দিকে।

এটাও বাস্তব তিপ্রামথাও ফাঁকে ফাঁকে হানা দিচ্ছে বিজেপি শিবিরে। অর্থাৎ শাসক – বিরোধী। দুই দলই দল ভাঙার ক্ষেত্রে আক্রমণ,প্রতি আক্রমণ শুরু করেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
