আগরতলা
রাজনীতি
আইন-আদালত
সর্বশেষ খবর
Tripura News: মাদক কারবারের আতুরঘর প্রধান পোস্ট অফিস। উদ্ধার এসকফ। নেই গ্রেফতার।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১৮ জুন।। ফের আগরতলার প্রধান ডাকঘর থেকে উদ্ধার নিষিদ্ধ কফ সিরাপ এসকফ’ র চালান।পার্সেলের মাধ্যমে কলকাতা থেকে এসকফ’ র চালান পৌঁছায় আগরতলার প্রধান ডাকঘরে। এসকফ গুলি মজুত ছিলো…
Agartala News: নির্মাণ সংস্থাকে মেয়রের কড়া বার্তা।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১৮ জুন।। “সময়ের কাজ সময়েই শেষ করতে হবে। নয়তো নির্মাণ সংস্থাকে সরিয়ে দেওয়া হবে কাজের দায়িত্ব থেকে।” ঠিক এই ভাষায় নির্মাণ সংস্থাগুলোকে কড়া হুশিয়ারি দিয়েছেন আগরতলা পুর নিগমের…
Tripura Education: প্রাথমিক শিক্ষকদের টেট বিতর্ক, মাঠে অবতীর্ণ শাসক দলের অঙ্গ সংগঠন।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১৮ জুন।। দেশের সমস্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাকে টেট বা শিক্ষক যোগ্যতা নির্ণায়ক পরীক্ষার আওতায় আনার নির্দেশ দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। তবে এই নির্দেশিকা ঘিরে এবার দেশজুড়ে শুরু হয়েছে…
Tripura Politics: সিপিআইএমের সম্পাদক মন্ডলীর বৈঠকে ভিলেজ ভোটের রোডম্যাপ!
ডেস্ক রিপোর্টার, ১৮ জুন।। আসন্ন এডিসি ভিলেজ কমিটির নির্বাচনের প্রাক্কালে সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বৈঠকে বসলো সিপিএম রাজ্য কমিটি।মেলারমাঠস্থিত দলীয় কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া এই দু’দিনের…
Tripura News: রাতের আধারে জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনা। লরি – বাইকের সংঘর্ষ। আহত দুই।
রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টা নাগাদ একটি বহিরাজ্যের দূরপাল্লার পণ্যবাহী লরির সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ ঘটে। দুর্ঘটনায় গুরুতরভাবে আহত হন মোটরসাইকেলে থাকা দুই যুবক।আহতদের পরিচয় উদয় রিয়াং ও ক্ষত্রজয় রিয়াং তেলিয়ামুড়া ডেস্ক,…
দেশ
Indian Army: সেনা কর্তাদের গোঁফের সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ১২ সেন্টিমিটার। জারি নতুন নির্দেশিকা।
নতুন নির্দেশিকাটি কুচকাওয়াজ এবং অনুষ্ঠান সম্পর্কিত বেশ কিছু পুরোনো নিয়মও সংশোধন করেছে। কুচকাওয়াজ পরিদর্শনকারী ঊর্ধ্বতন কর্তাদের জন্য তলোয়ার বহন করা আর বাধ্যতামূলক থাকবে না।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১৮ জুন।।
ভারতীয় সেনাবাহিনী তাদের পোশাক ও সাজসজ্জা সংক্রান্ত নিয়মাবলীতে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এনেছে। সেনাবাহিনীর নতুন ম্যানুয়াল, “আর্মি ইউনিফর্মস-২০২৬,” ব্রিটিশ শাসনের দীর্ঘদিনের উত্তরাধিকার হিসেবে বিবেচিত বেশ কিছু বিধান পরিবর্তন করা হয়েছে।
কেন এই পরিবর্তন ?
সেনাবাহিনী জানিয়েছে , এই পরিবর্তনগুলির লক্ষ্য হল ভারতীয় সামরিক ঐতিহ্য বজায় রেখে দেশের পরিবর্তনশীল পরিচয় এবং বর্তমান চাহিদার সঙ্গে ইউনিফর্ম ও নিয়মাবলীকে খাপ খাইয়ে নেওয়া।
খবর অনুযায়ী, ১৭৪ পৃষ্ঠার এই নতুন ম্যানুয়ালটি সেনা কর্তাদের আনুষ্ঠানিক পোশাকের সঙ্গে গলা-বন্ধ বান্দি জ্যাকেট পরার অনুমতি দিয়েছে। এই প্রথমবার সেনাবাহিনী ঐতিহ্যবাহী ভারতীয় পোশাককে আনুষ্ঠানিক সামরিক পোশাকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। ইউনিফর্মের মর্যাদা বজায় রাখার জন্য রং এবং নকশার বিষয়ে কিছু নির্দিষ্ট মান নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন নির্দেশিকাটি কুচকাওয়াজ এবং অনুষ্ঠান সম্পর্কিত বেশ কিছু পুরোনো নিয়মও সংশোধন করেছে। কুচকাওয়াজ পরিদর্শনকারী ঊর্ধ্বতন কর্তাদের জন্য তলোয়ার বহন করা আর বাধ্যতামূলক থাকবে না। এছাড়াও, অনেক আনুষ্ঠানিক পোশাকের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ঐতিহ্যবাহী পাউচ বেল্টটি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেনাবাহিনী সকল পদের জন্য ‘ড্রেস ৩বি’ নামে একটি নতুন শীতকালীন ইউনিফর্মও চালু করেছে।
সাজসজ্জা এবং ব্যক্তিগত সাজসজ্জা সংক্রান্ত নিয়মকানুন আরও স্পষ্ট করা হয়েছে। নতুন নির্দেশিকা অনুসারে, সেনাদের জন্য ট্যাটু এবং বডি পিয়ার্সিং নিষিদ্ধ থাকবে। ইউনিফর্মে ব্রেসলেট পরার অনুমতি দেওয়া হবে না, তবে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পৈতে পরার জন্য সীমিত ছাড় দেওয়া হয়েছে। শিখ সেনারা তাদের ধর্মীয় প্রতীকের ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় পেতে থাকবে। গোঁফের সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ১২ সেন্টিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। ইউনিফর্মে ডিওডোরেন্ট এবং পারফিউম ব্যবহারও নিষিদ্ধ, যদিও আফটার-শেভ লোশন ব্যবহারের অনুমতি থাকবে। সেনা বাহিনীর মহিলা অফিসারদের জন্যও অনেক ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
বিদেশ
Bangladesh News: প্রতিবাদ জানাতেই দিল্লি থেকে ঢাকায় ফিরে এসেছি:জাহেদ
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, আমি ওখানে একটা ব্যক্তি হিসেবে যাইনি, আমি এই সরকারের একজন প্রতিনিধি হিসেবে গেছি, রাষ্ট্রের একজন প্রতিনিধি হিসেবে গেছি। ফলে আমার সাথে ওখানে যা হয়েছে, আমার কাছে মনে হল যে আমাদের ইনস্ট্যান্ট একটা প্রতিবাদ করা দরকার।
#সমীরণ রায়#
______________
ঢাকা ডেস্ক, ১৮ জুন।।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান বলেছেন, দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার সঙ্গে যে ‘অসৌজন্যমূলক’ আচরণ করা হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তার প্রতিবাদ জানানো উচিত মনে হওয়ায় তিনি দেশে ফিরে এসেছেন। তবে এ ঘটনা দুই দেশের সম্পর্কে কোনো প্রভাব ফেলবে না বলেই তার বিশ্বাস। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে ওই ঘটনা নিয়ে যা যা এসেছে, ঘটনাগুলো ‘ঠিক সেরকমই’ ঘটেছে।
তথ্য উপদেষ্টা বলেন, আমি ওখানে একটা ব্যক্তি হিসেবে যাইনি, আমি এই সরকারের একজন প্রতিনিধি হিসেবে গেছি, রাষ্ট্রের একজন প্রতিনিধি হিসেবে গেছি। ফলে আমার সাথে ওখানে যা হয়েছে, আমার কাছে মনে হল যে আমাদের ইনস্ট্যান্ট একটা প্রতিবাদ করা দরকার। সেই কারণেই আমি আসলে ব্যাক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি মনে করেছি এই সরকারের প্রধানমন্ত্রীর একজন উপদেষ্টা হিসেবে। তখন আমার মনে হয়েছে এই রাষ্ট্র বা সরকারের পক্ষ থেকে একটা সিগনেচার থাকা দরকার। আমার কখনো এই উদ্দেশ্য নেই যে এটার মাধ্যমে খুব পাল্টাপাল্টি কোনো নেগেটিভ পরিস্থিতি তৈরি হোক। আমার মনে হয়েছে একটা মেসেজ এই দেশ এবং এই দেশের বাইরে সবার কাছে যাওয়া দরকার, সেটা হচ্ছে এটা শেখ হাসিনার সরকার না, এটা জনগণের ম্যান্ডেটপ্রাপ্ত একটা সরকার।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উত্তরে জাহেদ উর রহমান বলেন, প্রথম প্রশ্ন হচ্ছে আমার কূটনৈতিক পাসপোর্ট আমি নিইনি। নিইনি মানে অন্য কোনো কারণে না, নিচ্ছি নেব করতে করতে হয়েছে। আমার পাসপোর্টে সার্ক স্টিকার দেওয়া হয়েছে। তার মানে কূটনৈতিক পাসপোর্ট যেভাবে কাজ করে, সেভাবে এফেক্টিভ হওয়ার কথা। সো কেউ কেউ বলছেন এই কূটনৈতিক পাসপোর্ট নাও নাই, আমার কি বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ হবে? আমি কূটনৈতিক পাসপোর্ট নিতে কিন্তু বাধ্যও না। ওটা একটা প্রিভিলেজ, আমি আমার জায়গা থেকে এটা আমি নিতে পারি, কিন্তু এটা আমাকে নিতেই হবে এমন কোনো কথা নেই।
জাহেদ উর রহমান বলেন, দিল্লির বিমানবন্দরে তাকে আটকে রেখে অনেক বেশি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে-বিষয়টি সেরকম নয়। আমাকে খুব বেশি জিজ্ঞেস করা হয় নাই, আসলে ডিল করছিলেন হাই কমিশনার। আমাকে একটা জায়গায় বসতে দেওয়া হয়েছে। মূলত খুব বেশি কিছু জানানো হচ্ছিল না। ইনফ্যাক্ট খুব বেশি যে প্রচুর জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে ব্যাপারগুলো এরকম কিছু ছিল না। কোনো একটা রুমে নিয়ে আটকে রাখা হয়েছে–না, একদম ভুল কথা এগুলো। ভবিষ্যতে আবার ভারতে যাওয়ার ইচ্ছা আছে কি না –এমন প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, নিশ্চয় যাব। তিনি বলেন, আমি ভারতের সাথে এনগেজ করতে চাই লজিকলি অ্যান্ড র্যাশনালি। কথাটা খুব ইম্পর্টেন্ট। ভারতের সাথে এনগেজ করার কথা বললে কারো কারো কাছে মনে হয় যে আমি দেশ বিকিয়ে দিতে যাচ্ছি।
সেই সময়ের পরিস্থিতি বর্ণনা করে উপদেষ্টা জাহেদ বলেন, আমার সাথে আরো লোকজন ছিলেন, তারা তাদের ইমিগ্রেশন পার করে চলে গেলেন। আমার ইমিগ্রেশন যখন শুরু হল, আমি মুহূর্তেই বুঝতে পারলাম, তারা দেরি করছেন। তাদের সময় লাগছে, নানান জনের সাথে কথাবার্তা বলছেন। আমাদের হাই কমিশনার প্রথম থেকে আমার সাথে ওখানে ছিলেন। আমাদের হাই কমিশনার সম্পর্কেও অনেক কথাবার্তা বলা হয়, যে তার দুর্বলতা গাফিলতি কিছু ছিল কিনা। আমি এখানে স্পষ্টভাবে বলছি, আমি ওখানে ল্যান্ড করার পর থেকে শেষে আমি ইন্ডিয়ান টাইম রাত ১২টা ৩০ এ একটা ফ্লাইটে কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফিরেছি। কারণ আমি চাইনি ভারতের ইমিগ্রেশন ক্রস করব। সেজন্য আমারও বেশ কিছু ঝুট ঝামেলা হয়েছে। পুরো সময় টাই হাইকমিশনার পাশে ছিলেন।




