ডেস্ক রিপোর্টার, ৫ ফেব্রুয়ারি।।
রোগী মৃত্যুর কারখানা রাজ্যের রেফারেল হাসপাতাল “আইএলএস’! হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এক রোগীর মৃ*ত্যু হওয়ার পর নানান ছলনা করে মৃতদেহ আটকে রেখেছে আইএলএস কর্তৃপক্ষ। কৃত্রিম উপায়ে রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাস ( নকল) চলছে বলে দাবি করে আইএলএস! অভিযোগ রোগিণীর মেয়ে মৃদুলা দত্তের।

মেয়ের বক্তব্য, বাস্তব অর্থে অনেক আগেই মৃত্যু হয়েছে তার অসুস্থ মা’র। এরপরেই অর্থ উপার্জনের জন্য আইএলএস আটকে রাখে তার মা’কে। এবং কোনো ডেড সার্টিফিকেট দিতেও রাজি হয় নি। এরপর অনেক জারিজুরি পর মৃদুলা দত্ত তার মা’কে আইএলএস থেকে বের করেন। তখনই রোগীর পরিবারের সদস্যদের উপর হামলা করে আইএলএসের গুণ্ডা বাহিনী( পড়ুন বেসরকারি নিরাপত্তা রক্ষী)।

মার খেয়েও মৃদুলা দত্ত তার মা’কে নিয়ে যান জিবি হাসপাতালে। সেখানেও চড়াও হয় আইএলএসের গু*ণ্ডারা। জিবিতেও ফের মারধর করে মৃদুলা দত্ত ও তার পরিবারের লোকজনকে।

জিবি ফাঁড়ির পুলিশ আইএলএস হাসপাতালের পাঁচ জন গুণ্ডাকে গ্রেফতার করেছে।ঘটনা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়। ছিঃ ছিঃ। লজ্জা। রোগী হত্যাকারী আইএলএসের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেবে পুলিশ ও রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রশাসন? জনমনে উঠছে প্রশ্ন।
আইএলএস হাসপাতালের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ নতুন নয়। এর আগেই বহু রোগী মৃত্যুর অভিযোগ রয়েছে আইএলএসের দিকে। মৃতদেহ আটকে রাখার ভুরি ভুরি অভিযোগ আইএলএসের বিরুদ্ধে। তারপরেও রাজ্যে আইএলএসের বিকল্প না থাকতে মানুষ নিশ্চিত মৃত্যু কথা জানা সত্ত্বেও এই হাসপাতালে যায় চিকিৎসার জন্যে। আর এই সুযোগের সদ ব্যবহার করেই রোগীদের মৃত্যুর দরজায় টেনে নিয়ে যায়। এবং নির্বিচারে পকেট কাটে রোগীর পরিবারের লোকজনের।

