রাধানগর অঞ্চলটি ৬- আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। এই বিধানসভার বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। অবশ্যই তিনি বিরোধী কংগ্রেস শিবিরের। সুদীপ রায় বর্মনের মতো একজন চৌখিস নেতা চোখ কিভাবে এড়িয়ে যাচ্ছে? যেখানে শিশুর শিক্ষা – শারীরিক – মানসিক ও সামাজিক বিকাশকে যেখানে কবর দেওয়া হচ্ছে। দায়িত্ব এড়াতে পারবেন না ৬- আগরতলা মন্ডলের বিজেপি নেত্রী পাপিয়া দত্ত ও মন্ডল সভাপতি তপন ভট্টাচার্য।

ডেস্ক রিপোর্টার, ২১ ফেব্রুয়ারি।।
              হায় রে! রাজ্যে প্রাক – প্রাথমিক শিক্ষার এই কি বেহাল অবস্থা। তাও আবার খোদ রাজধানীতে। কচিকাঁচাদের বিকাশের আতুর ঘর এখন মিশে গিয়েছে মাটিতে। পড়াশুনা করার মতো কোনো পরিবেশ নেই। তাদের পঠন পাঠন চলছে ভাড়া বাড়িতে। ছিঃ ছিঃ। লজ্জা।
      আমরা বলছি রাজধানীর রাধানগরের রাধানগর অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারের কথা। আগরতলা পুর নিগমের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত এই অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টার। গত পাঁচেক ধরে অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারটি ভেঙে রয়েছে। এটা এখন একটা ভুতুড়ে ঘরে পরিণত হয়েছে। এই অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারটি এখন সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের মাদক কারবারীদের ” রাজধানী “।
     কিন্তু কোনো হেলদোল নেই এলাকার মহামান্য কর্পোরেটরের। তিনি এসেছেন, দেখেছেন। দিয়েছেন শুধু আশ্বাসের পর আশ্বাস। বাস্তবে সবই অশ্ব ডিম্ব।


অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারটি ভাড়া বাড়িতে চললেও দেখা পাওয়া গেলো না শিক্ষিকা মীনাক্ষী দাস পোদ্দারের। তিনি নাকি পাঁচ – ছয় দিনের ছুটিতে। হেল্পার দিয়েই চলছে শিশুদের পঠন – পাঠন। তিনিই রান্না করছেন শিশুদের খাবার।
     হেল্পার বলছেন, পুরানো অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারটি পঠন পাঠনের অযোগ্য। সেন্টারের পাকা বাড়ি মাটিতে বসে গিয়েছে। যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। বাচ্চাদের বসার মতো পরিবেশ নেই। চার – পাঁচ বছর ধরেই এই অবস্থা। তাই ভাড়া বাড়িতেই চলছে শিশুদের প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা।
            শহরে চলছে উন্নয়নের যজ্ঞ। প্রাক প্রাথমিক শিক্ষা থেকে উচ্চ শিক্ষা সবই নাকি চলছে রকেট গতিতে। অন্তত এটাই বলছেন বিজেপি শাসিত রাজ্যের মন্ত্রী – আমলারা। আর শাসক দলের নেতারা তো উন্নয়নের ফর্দ হাতে নিয়ে চলাফেরা করেন। অথচ তাদের চোখে এখনো পড়ে নি শিশুর বিকাশের আতুর ঘর বেহাল অবস্থা। এটা সভ্য সমাজের লজ্জা।


রাধানগর অঞ্চলটি ৬- আগরতলা বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত। এই বিধানসভার বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন। অবশ্যই তিনি বিরোধী কংগ্রেস শিবিরের। সুদীপ রায় বর্মনের মতো একজন চৌখিস নেতা চোখ কিভাবে এড়িয়ে যাচ্ছে? যেখানে শিশুর শিক্ষা – শারীরিক – মানসিক ও সামাজিক বিকাশকে যেখানে কবর দেওয়া হচ্ছে। দায়িত্ব এড়াতে পারবেন না ৬- আগরতলা মন্ডলের বিজেপি নেত্রী পাপিয়া দত্ত ও মন্ডল সভাপতি তপন ভট্টাচার্য। আমরা “জনতার মশাল”  নজর রাখবো রাধানগর অঙ্গনওয়াড়ির পাকা বাড়ি তৈরি করতে শাসক – বিরোধী কোনো কোনো নেতা নেত্রী সদর্থক ভূমিকা নেন।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *