ঘরে ছিলো শ্রাবন্তী ও তার তিন বছরের ছোট ভাই। শ্রমিক মা – বাবা শ্রাবন্তীকেই তার ভাইয়ের দেখাশোনার দায়িত্ব দিয়ে যান। রাতের আধারে শ্রাবন্তী ও তার ভাইয়ের নিরাপত্তা বলতে ঘরের চার দেওয়াল। কিন্তু দুর্ভাগ্যের হলেও সত্যি, শ্রাবন্তীদের ঘরের সেই বিশ্বস্ত চার দেওয়ালও করেছে বিশ্বাস ঘাতকতা। ঘটনার রাতে ঘরের চার দেওয়াল শ্রাবন্তীকে সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ ।
ডেস্ক রিপোর্টার , ৮ জানুয়ারি।। ছিঃ, ছিঃ।ইউনূসের দেশের লজ্জা। রাজাকার মো: ইউনূসের দোসরদের শেষ পর্যন্ত কু – নজরে পড়লো অসহায় হিন্দু নাবালিকা। রাতের আধারে বাড়ির নির্জনতার সুযোগ নিয়ে নবালিকাকে গণ-ধর্ষণ করে।এরপর শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে। শেষে প্রমাণ লোপাটের জন্য ঘরের মধ্যে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেয়। পুরো ঘটনার এক মাত্র সাক্ষী নাবালিকার তিন বছরের ভাই। তবে দিদিকে অত্যাচারের সময় কনকনে শীতে অবুঝ ভাই ছিলো গভীর ঘুমে। ভাইয়ের যখন ঘুম ভাঙলো, সে দেখলো ঘরের এক কোণে ঝুলে আছে তার আদরের দিদি। প্রাণের চেয়েও বেশী আদরের দিদি কেন ঝুলে রইলো? তিন বছরের অবুঝ ভাইয়ের কাছে এই প্রশ্নের কোনো উত্তর ছিলো না? বা তাকে বুঝানোর কোনো ভাষা ছিলো না কাউর কাছে। ফ্যাল ফ্যাল চোখে শুধু চেয়ে থাকলো দিদির ঝুলন্ত দেহের দিকে।
কিন্তু দুর্ভাগ্যের হলেও সত্যি, শ্রাবন্তীদের ঘরের সেই বিশ্বস্ত চার দেওয়ালও করেছে বিশ্বাস ঘাতকতা।
চট্টগ্রামের লালখান বাজারের অত্যন্ত দরিদ্র হিন্দু বাঙালি পরিবারের মেয়ে শ্রাবন্তী। পেশায় মা – বাবা উভয়েই শ্রমিক। দিন – রাত কাজ করে উপার্জিত অর্থ দিয়ে সন্তান – সন্তিদের উদর পূর্তি করেন তারা। মা – বাবা ভাই সহ শ্রাবন্তীদের চারজনের পরিবার। অন্যান্য রাতেই মতোই গত ৬ – জানুয়ারি রাতে শ্রাবন্তীর মা-বাবা কাজের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যান। ঘরে ছিলো শ্রাবন্তী ও তার তিন বছরের ছোট ভাই। শ্রমিক মা – বাবা শ্রাবন্তীকেই তার ভাইয়ের দেখাশোনার দায়িত্ব দিয়ে যান। রাতের আধারে শ্রাবন্তী ও তার ভাইয়ের নিরাপত্তা বলতে ঘরের চার দেওয়াল। কিন্তু দুর্ভাগ্যের হলেও সত্যি, শ্রাবন্তীদের ঘরের সেই বিশ্বস্ত চার দেওয়ালও করেছে বিশ্বাস ঘাতকতা। ঘটনার রাতে ঘরের চার দেওয়াল শ্রাবন্তীকে সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ ।
শ্রাবন্তীর ঘরের বিশ্বাস ঘাতক চার দেওয়াল।
তখন ছোট ভাইকে বুকে জড়িয়ে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন নাবালিকা দিদি শ্রাবন্তী।
রাতের অন্ধকারে রাজাকার মো: ইউনূসের গুণ্ডা বাহিনী ‘ যমদূত ‘ হয়ে প্রবেশ করে চট্টগ্রামের লালখান বাজারের ছোট্ট বাসিন্দা শ্রাবন্তী ঘোষের বাড়িতে। মা – বাবাহীন গোটা বাড়ি ছিলো নির্জনতায় ভরা। তখন ছোট ভাইকে বুকে জড়িয়ে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন নাবালিকা দিদি শ্রাবন্তী। ঘুমের মধ্যে শ্রাবন্তী স্বপ্নও দেখে নি, একটু পরেই যে তার দরজায় হাজির হবে ইউনূসের যমদূত বাহিনী। স্বপ্ন না দেখলেও কি হবে? বাংলাদেশের স্ব -ঘোষিত বিধাতা মো: ইউনূস আগেই যে শ্রাবন্তীর ভাগ্যের করুন পরিণতির স্ক্রিপ্ট লিখে রেখেছেন। তা খন্ডাবে কে?
প্রতীকী ছবি।
ঘুমের চোখে কিছু বুঝে উঠার আগেই ইউনূসের হায়নার দল ঝাঁপিয়ে পড়ে ১২ বছরের কিশোরী শ্রাবন্তীর উপর।
মধ্য রাতে যমদূতরা হাজির হয় শ্রাবন্তীর দরজায়। তখন গোটা এলাকা ছিলো শুনশান। ইউনূসের যমদূত বাহিনী শ্রাবন্তীর দরজায় কড়া নাড়ে। তখনও ঘুম ভাঙ্গে নি শীতের রাতে ভাইকে বুকে জড়িয়ে ঘুমিয়ে থাকা শ্রাবন্তীর। ইউনূস বাহিনী দরজা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশের পর, শ্রাবন্তী বুঝতে পারে কিছু একটা ঘটতে চলছে। ঘুমের চোখে কিছু বুঝে উঠার আগেই ইউনূসের হায়নার দল ঝাঁপিয়ে পড়ে ১২ বছরের কিশোরী শ্রাবন্তীর উপর। তখনও ঘুম ভাঙ্গে নি শ্রাবন্তীর তিন বছরের ছোট ভাইয়ের। যমদূতরা রাতের নির্জন ঘরের মধ্যে মুখে চাপা দিয়ে গণ-ধর্ষণ করে শ্রাবন্তীকে। দৈহিক লালসা মেটানোর পর ইউনূসের গুণ্ডা বাহিনী শ্রাবন্তীকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে। এরপর হত্যার সমস্ত প্রমান লোপাটের জন্য ঘরের মধ্যে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেয়।
প্রতীকী ছবি।
তখনই মা-বাবার আত্মচিৎকারে ঘুম ভাঙ্গে খাটে শুয়ে থাকা শ্রাবন্তীর ছোট তিন বছরের ভাইয়ের। সে চোখ খুলে দেখতে পায় দিদি তার সঙ্গে আর খাটে নেই। ঘরের এক কোণে ঝুলছে দিদির প্রাণহীন দেহ।
কাজ সেরে ভোর রাতে শ্রাবন্তীর মা – বাবা বাড়িতে আসতে তাদের মাথায় ভেঙ্গে পড়ে গোটা আকাশ। তখনই মা-বাবার আত্মচিৎকারে ঘুম ভাঙ্গে খাটে শুয়ে থাকা শ্রাবন্তীর ছোট তিন বছরের ভাইয়ের। সে চোখ খুলে দেখতে পায় দিদি তার সঙ্গে আর খাটে নেই। ঘরের এক কোণে ঝুলছে দিদির প্রাণহীন দেহ।
প্রতীকী ছবি
চট্টগ্রামের লালখান বাজারের এই নৃশংস ঘটনা নিয়ে নিশ্চুপ বাংলাদেশের মূল স্রোতের সংবাদ মাধ্যম।
ইউনূসের বাংলাদেশে হিন্দুরা নারী – শিশুরা যে একেবারেই সুরক্ষিত নয় শ্রাবন্তী হত্যার মধ্য দিয়ে আবারও তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। শ্রাবন্তীর হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে কি কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হবে না। এটা হলফ করেই বলা যায়।
বাংলাদেশের নিরো, মো: ইউনূস।
অবাক করার মত বিষয় চট্টগ্রামের লালখান বাজারের এই নৃশংস ঘটনা নিয়ে নিশ্চুপ বাংলাদেশের মূল স্রোতের সংবাদ মাধ্যম।ওপারের সংবাদ মাধ্যমের কাছেও কি মানবিকতা বলতে কিছু নেই? আর সবকিছু দেখেও ( দেশে যখন আগুন জ্বলছে)রুশ সম্রাট নিরোর মতো বাঁশী বাজাতে ব্যস্ত বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা রাজাকার মো: ইউনূস।