এদিন সকাল থেকেই কাঠালতলি এলাকার ক্ষুব্ধ জনতা জড়ো হয় আগরতলা আদালত চত্বরে। তারা আদালতে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এবং অভিযুক্তদের আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করে।
ডেস্ক রিপোর্টার,২৪ জুন।।
কাঁঠালতলির ক্লাব সম্পাদক সমীর দাসের খুনের ঘটনা কেন্দ্র করে এখনো অগ্নিগর্ভ সংশ্লিষ্ট অঞ্চল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মঙ্গলবার রাতে পুলিশ প্রশাসন কাঠালতলী এলাকায় জারি করেছে ১৬৩ ধারা। টানা ৪৮ ঘণ্টা বহাল থাকবে এই আইন। ঘটনার পরের দিন পুলিশ ইন্দ্র নগর থেকে গ্রেফতার করেছিল সমীর হত্যাকাণ্ডের এক অভিযুক্ত স্বপন সূত্রধর। পরে আরো দুই অভিযুক্ত সুজয় সূত্রধর ও রাজু সূত্রধরকে গ্রেফতার করে। বুধবার কড়া নিরাপত্তা বলয়ের মধ্য দিয়ে পুলিশ তিন অভিযুক্তকে আদালতে সোপর্দ করে।
এদিন সকাল থেকেই কাঠালতলি এলাকার ক্ষুব্ধ জনতা জড়ো হয় আগরতলা আদালত চত্বরে। তারা আদালতে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এবং অভিযুক্তদের আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি করে।
পুলিশের কাছে খবর ছিলো, আদালতে আসা লোকজন আক্রমণ করতে পারে ধৃত স্বপন – সুজয় ও রাজুকে। আগাম খবরের ভিত্তিতে পুলিশ আদালত চত্বরে অটোসাটো নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে। অভিযুক্ত তিন জনকেই নিরাপত্তার জন্য তার মাথায় পরানো হয় হেলমেট।
অভিযুক্ত স্বপন সূত্রধর, সুজয় সূত্রধর ও রাজু সূত্রধর গ্রেফতার হলেও স্বপনের ভাই মিঠন সূত্রধর এখনো পলাতক। পুলিশ তাকে গ্রেফতারের জন্য জাল বিস্তার করেছে। তদন্তকারী পুলিশ ধৃতদের পুলিশ রিমান্ডের আনার জন্য আবেদন জানিয়ে আদালতে সোপর্দ করেছিল। পুলিশের আবেদনে সাড়া দিয়ে আদালত অভিযুক্তদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে সমীর হত্যাকাণ্ডের মূল মোডাস অপারেন্ডি জানতে পারবে তদন্তকারী পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, পূর্ব শত্রুতা ও জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে খুন হয়েছে ক্লাব সম্পাদক সমীর দাস।

