ডেস্ক রিপোর্টার, ২৪ জুন।।
     পূর্ব নির্ধারিত ঘোষণা অনুযায়ী বুধবার সকালে জাতীয় সড়ক ও রেল পথ অবরোধ করেছিল প্রাক্তন জঙ্গিদের দুইটি সংগঠন JARC ও JAC। এদিন সকালে প্রাক্তন বৈরিরা বড়মুড়া সাধুপাড়াতে আসাম – আগরতলা জাতীয় সড়ক অবরোধ করে। তাতে সমস্যা পোহাতে হয় সাধারণ মানুষকে।সড়কের দুই পাশের সারি বদ্ধ ভাবে দাঁড়িয়ে থাকে দূরপাল্লার যানবাহন। জঙ্গিদের আন্দোলনস্থলে ছিলো প্রচুর নিরাপত্তা বাহিনী। দীর্ঘক্ষণ প্রাক্তন জঙ্গিদের পথ অবরোধের নাটক চলে। শেষে বেলা বিরতেই প্রত্যাহার করে জাতীয় সড়ক অবরোধ। প্রাক্তন জঙ্গি নেতার বক্তব্য, তাদের দুইটি সংগঠন ৯ দফা দাবির ভিত্তিতে আন্দোলনে নেমে ছিলো।সংগঠনের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক হয় রাজ্য সরকারের পদস্থ আধিকারিকদের। তাদের বৈঠক বেশ ফলপ্রসু হয়। এই কারণেই দুপুর নাগাদ জাতীয় সড়ক অবরোধ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয় JARC ও JAC দুইটি সংগঠন।
        রাজ্যের আমজনতার বক্তব্য, প্রাক্তন জঙ্গিরা কিছুদিন পরপরই তাদের নাটক মঞ্চস্থ করে। দাবি দাবা ইস্যুতে যখন তখন ঘোষণা দেয় জাতীয় সড়ক ও রেলপথ অবরোধের। অবাক করার মতো ঘটনা রাজ্য প্রশাসনও তাদের পথ অবরোধে বসার জন্য অনুমতি দেয়। এবং অবরোধ প্রত্যাহারের জন্য করে জামাই আদর। অথচ একদিন এরাই এর রাজ্যকে করেছিল রক্তস্নাত। সাধারণ মানুষের রক্ত নিয়ে খেলেছিল হোলি। আজ তাদেরকে বৈঠকের মাধ্যমে আশ্বস্ত করতে হয় সরকারের। প্রতিটা অবরোধে হেনস্থার শিকার হয় সাধারণ মানুষ। সরকার কি মানুষের হেনস্থার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবে না? সাধারণ মানুষ থেকেও কি রক্ত পিপাসু প্রাক্তন জঙ্গিদের গুরুত্ব বেশি সরকারের কাছে। প্রশ্ন তুলছে রাজ্যের মানুষ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *