ডেস্ক রিপোর্টার, ১৬ আগস্ট।।
“ত্রিপুরা রাজ্যে বসবাসকারী বাঙালিরা শরণার্থী নয়। তারা উদ্বাস্তু। তারা ছিলো চাকলা রোশনাবাদ অঞ্চলের মানুষ। সুতরাং তারা বিদেশি নয়।আসাম বা দেশের অন্যান্য রাজ্যের সঙ্গে এখানকার বাঙালিদের তুলনা করলে চলবে না।”– দেশের ৮০ তম স্বাধীনতা দিবসে এই ঐতিহাসিক সত্য তুলে ধরেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা।
ঐতিহাসিক তথ্য তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বাংলাদেশের নোয়াখালী, সিলেট ও কুমিল্লা জেলার অংশবিশেষে (তৎকালীন ত্রিপুরা ও নোয়াখালী অঞ্চল) বিস্তৃত ছিল। এই অঞ্চল ছিলো ত্রিপুরার রাজাদের জমিদারি অংশ। তারা সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের মানুষের কাছ থেকে কর আদায় করতেন। দেশ ভাগের পর চাকলা রোশনাবাদ পূর্ব পাকিস্তানের সীমানায় চলে যায়। অর্থাৎ চাকলা রোশনাবাদের হিন্দু বাঙালিরা সবাই ভারতীয়। তারা প্রত্যেকে অখণ্ড ভারতের নাগরিক। দেশ ভাগের পর তারা পাহাড়ি ত্রিপুরায় চলে আসে। সুতরাং ত্রিপুরার বাঙালিদের শরণার্থী বলাটা ভুল। তারা দেশের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে এসেছে।
মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পর সারা রাজ্যে সরগোল পড়ে যায়। জনজাতি অংশের মানুষ ইতিহাসকে বিকৃতি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানান কথা বলছেন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। আসলেও তারাই চাইছে ঐতিহাসিক সত্যকে ছাই চাপা দিয়ে রেখে ত্রিপুরাকে নিজেদের ভূমি হিসাবে তুলে ধরতে।

