ডেস্ক রিপোর্টার, ১ লা সেপ্টেম্বর।।
তেলিয়ামুড়ার ব্রহ্মছড়া এলাকার সপ্তম শ্রেণির ১২ বছর বয়সী ছাত্র গেনাং জমাতিয়া। সে স্থানীয় ব্রহ্মছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র।, বাড়ির পার্শ্ববর্তী মথুরানগর নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ের মাঠে বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলতে গিয়েই মারাত্মক দুর্ঘটনার শিকার হয় গেনাং। তবে দুর্ঘটনার পর পরিবারের পক্ষ থেকে আর্থিক অনটনের কারণে আধুনিক চিকিৎসার বদলে দীর্ঘদিন কবিরাজি-বনৌষধি চিকিৎসার ওপর নির্ভর করা হয়। কিন্তু সময়মতো সঠিক ও উন্নত চিকিৎসা না পাওয়ায় ধীরে ধীরে তার হাতের অবস্থা অত্যন্ত জটিল ও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।এদিকে দিনের পর দিন গেনাং বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন ব্রহ্মছড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। অবশেষে তার খোঁজে বাড়িতে যান শিক্ষকরা। সেখানে গিয়ে গেনাংয়ের হাতের অবস্থা দেখে চরম হতবাক ও শিউরে ওঠেন সবাই। উপযুক্ত চিকিৎসার অভাবে আক্রান্ত হাতে তীব্র পচন ও বিষাক্ত সংক্রমণ দেখা দিয়েছে।পরিস্থিতির ভয়াবহতা ও গুরুত্ব অনুধাবন করে শিক্ষক-শিক্ষিকারা কালবিলম্ব না করে গেনাংকে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য সিবিপি হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। কিন্তু চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, পচন ধরা হাত সুস্থ করতে কিংবা বড় ধরনের অঙ্গহানি থেকে কিশোরটিকে বাঁচাতে দ্রুত উন্নত ও ব্যয়বহুল চিকিৎসার প্রয়োজন।
তবে সেই বিপুল অর্থের জোগান দেওয়া দিনআনে-দিনখায় এই পরিবারের পক্ষে একেবারেই অসম্ভব।
একমাত্র সন্তানের এমন করুণ পরিস্থিতিতে সহায়-সম্বল হারিয়ে দিশেহারা গেনাংয়ের পরিবার। ছেলের উন্নত চিকিৎসা ও জীবন বাঁচানোর আকুল আর্জি জানিয়ে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন অসহায় পিতা-মাতা। সরকারি সহায়তা ও কোনো দানশীল ব্যক্তির আর্থিক সাহায্য পেলে হয়তো বেঁচে যেতে পারে এক সম্ভাবনাময় কিশোরের জীবন। অর্থের অভাবে যেন কোনো অমূল্য প্রাণ বা ভবিষ্যৎ থমকে না যায়—এখন সেই আশাতেই সরকারি হস্তক্ষেপের দিকে ব্যাকুল হয়ে তাকিয়ে রয়েছে পরিবারটি।

