“এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা বা কফির সঙ্গে একটি সিগারেট বা একটি বিড়ি। ব্যস্ততার ফাঁকে অনেকেরই এভাবে কাটে। অথবা পাড়ার মোড়ে চায়ের দোকানে প্রায়ই এমন চিত্র ধরা পড়ে। বিষয়টি ক্ষণিকের আরাম দিলেও আদপে নাকি বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। বলছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।”

হেল্থ ডেস্ক,৩১ জানুয়ারি।।
       অনেকেই আছেন যাঁদের চায়ের সঙ্গে ধূমপান করার মতো বদ অভ্যাস রয়েছে। এতে সিগারেট এবং চা খাওয়ার মজা দ্বিগুণ বেড়ে যায়, এমনটাই ধারণা তাঁদের। কিন্তু এই অভ্যাস আপনার জন্য কত বড় ক্ষতি ডেকে আনছে?সে সম্পর্কে অনেকেই অবগত নন।
এক কাপ ধোঁয়া ওঠা চা বা কফির সঙ্গে একটি সিগারেট বা একটি বিড়ি। ব্যস্ততার ফাঁকে অনেকেরই এভাবে কাটে। অথবা পাড়ার মোড়ে চায়ের দোকানে প্রায়ই এমন চিত্র ধরা পড়ে। বিষয়টি ক্ষণিকের আরাম দিলেও আদপে নাকি বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। বলছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।


সম্প্রতি হওয়া এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, যাঁরা নিয়মিত ধূমপান বা মদ্যপান করেন, তাঁদের গরম চা খাওয়া এড়িয়ে যাওয়া উচিত।  

সম্প্রতি হওয়া এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, যাঁরা নিয়মিত ধূমপান বা মদ্যপান করেন, তাঁদের গরম চা খাওয়া এড়িয়ে যাওয়া উচিত।  অ্যানলস অব ইন্টার্নাল মেডিসিন’ নামক জার্নালে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন,
“যে ব্যক্তিরা নিয়মিত ধূমপান ও মদ্যপান করেন, তাঁদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরম চা পান করাটা খাদ্যনালীর ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।”
  


৩০ বছর থেকে ৭৯ বছর বয়সী সাড়ে ৪ লাখ ব্যক্তির উপরে করা সমীক্ষা থেকে গবেষকরা ভয়াবহ এই তথ্য খুঁজে পেয়েছেন।

বিজ্ঞানীদের মত, ধূমপান ও মদ্যপানের অভ্যাস না থাকলে শুধু চা পান করা নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। ৩০ বছর থেকে ৭৯ বছর বয়সী সাড়ে ৪ লাখ ব্যক্তির উপরে করা সমীক্ষা থেকে গবেষকরা ভয়াবহ এই তথ্য খুঁজে পেয়েছেন।ধূমপান, মদ্যপান এবং চা পান অভ্যাসের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল এই গবেষণার জন্য। গবেষণার শুরুতে তাঁদের কারও ক্যাসনার ছিল না।


এই সাড়ে ৪ লাখ মানুষের তথ্য নেওয়া হয় ৯ বছর ধরে। তাঁদের মধ্যে ১৭৩১ জনের ইসোফ্যাজিয়াল বা খাদ্যনালীর ক্যানসার দেখা দেয় ওই সময়ের মধ্যে। যাঁরা অতিরিক্ত গরম চা পান বা মদ্যপান করেন এবং পাশাপাশি ধূমপান করেন, তাঁদের ইসোফ্যাজিয়াল ক্যানসারের ঝুঁকি পাঁচগুণ বেশি। এমনই বলেছেন বিজ্ঞানীরা।( সূত্র: এইচটিবি)



Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *