শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে ভাঁটা পড়েছে ভারতের। বর্তমান মহম্মদ ইউনূস সরকারের আমলে ভারত বিদ্বেষও চরমে পৌঁছেছে বাংলাদেশে। সেই আবহে চলতি আর্থিক বর্ষে ঢাকার বরাদ্দ অর্ধেক অর্থাৎ কিনা ৬০ কোটি টাকা করা হল।
ডেস্ক রিপোর্টার, ২রা ফেব্রুয়ারি।। ২০২৬-২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে বৈদেশিক উন্নয়ন সহায়তায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে ভারত। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে বিদেশি অনুদান বাবদ মোট ৫,৬৮৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তার মধ্যেই মহম্মদের ইউনুসের সরকারের আমলে বাংলাদেশের সঙ্গে বদলে গিয়েছে ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের জন্য বাজেট বরাদ্দ কমালো নরেন্দ্র মোদী সরকার। ২০২৬-২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে বৈদেশিক উন্নয়ন সহায়তা খাতে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ অর্ধেক হয়েছে।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কে ভাঁটা পড়েছে ভারতের। বর্তমান মহম্মদ ইউনূস সরকারের আমলে ভারত বিদ্বেষও চরমে পৌঁছেছে বাংলাদেশে। সেই আবহে চলতি আর্থিক বর্ষে ঢাকার বরাদ্দ অর্ধেক অর্থাৎ কিনা ৬০ কোটি টাকা করা হল।
বিগত অর্থবর্ষের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছিল।
বিগত অর্থবর্ষের বাজেটে বাংলাদেশের জন্য ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছিল। যদিও কার্যক্ষেত্রে মাত্র ৩৪. ৪৮ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছিল। নেপথ্যে উভয় দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন।কূটনীতিকদের মতে, “এই কাটছাঁটের পেছনে বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণ এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উত্তেজনাই প্রধান কারণ।”
বাংলাদেশের জন্য এই ৬০ কোটি টাকা মূলত গ্রান্টস বা প্রকল্প সহায়তা হিসেবে ব্যবহার হবে, যেমন পরিকাঠামো, শিক্ষা বা স্বাস্থ্য খাতে। কিন্তু গত বছরের মতো যদি ব্যবহার কম হয়, তাহলে এই বরাদ্দও পুরোপুরি খরচ হবে না।