স্পোর্টস ডেস্ক,৩০ জানুয়ারি।।
ঘরের মাঠে মরশুমের শেষ ম্যাচে চালকের আসনে ত্রিপুরা। গুজরাটের বিরুদ্ধে। তবে তৃতীয় দিনের সকালের ১ ঘন্টা যদি দায়িত্ব নিয়ে ব্যাট করতে পারেন ত্রিপুরার ব্যাটসম্যানরা তাহলে ম্যাচ রাজ্য দলের অনুকূলে থাকবে। নতুবা ম্যাচের চাকা ঘুরে যেতে পারে। শেষ ম্যাচে ফয়সলা হওয়ার সম্ভাবনা কম। তাই দুদলের লক্ষ্য থাকবে অন্তত প্রথম ইনিংসে লিড নেওয়ার। রঞ্জি ট্রফি ক্রিকেটে। এম বি বি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে সফররত গুজরাটের ৩৫২ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিনের শেষে স্বাগতিক ত্রিপুরা ৩ উইকেট হারিয়ে ২০৮ রান করে। ত্রিপুরার শ্রীদাম পাল এবং বিজয় শংকর অর্ধ শতরান করেছেন। ত্রিপুরা এখনও ১৪৪ রানে পিছিয়ে রয়েছে। প্রথম দিনের ৭ উইকেটে ২৬৭ রান নিয়ে খেলতে নেমে শুক্রবার আরও ৮৫ রান যোগ করার ফাঁকে শেষ ৩ টি উইকেট হারায় সফররত দল।গুজরাটের পক্ষে এম এ হিঙ্গরাজিয়া ৩৪৬ বল খেলে ১৮ টি বাউন্ডারি ও ১ টি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ১৫০ রানে অপরাজিত থেকে যান। এছাড়া শেষ দিকে বিশাল বি জেস্বল ২০ বল খেলে দুটি বাউন্ডারির সাহায্যে ২১ রান করেন। গুজরাট ১১৫.৪ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৩৫২ রান করে। ত্রিপুরার পক্ষে মনি শংকর মুড়া সিং ৫২ রানে ৪ টি , অভিজিৎ সরকার ৭০ রানে ৩ টি এবং সন্দীপ সরকার ৬৭ রানে ২ টি উইকেট দখল করেন। জবাবে খেলতে নেমে ত্রিপুরার শুরুটা মোটেই ভালো হয় নি। দলীয় কোনও রান যোগ করার আগেই পেভেলিয়নে ফিরে যান বিক্রম কুমার দাস। এই অবস্থায় বাবুল দে – র সঙ্গে রুখে দাঁড়ান শ্রীদাম পাল। এই জুটি পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলেন। দ্বিতীয় উইকেটে এই জুটি ১৪৩ বল খেলে যোগ করেন ১০৬ রান। বাবুল ৭৯ বল খেলে ৫ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৩৮ রান করে আউট হওয়ার পরেই নিজের উইকেট দিয়ে আসেন শ্রীদাম।আউট হওয়ার আগে ৮৩ বল খেলে ১০ টি বাউন্ডারি ও ১ টি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৬৯ রান করেন। এর পর দুই পেশাদার ক্রিকেটার হনুমা বিহারী এবং বিজয় শংকর। চাপের মুখে এই জুটি ঠান্ডা মাথায় ব্যাট করে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন দলকে । দ্বিতীয় দিনের শেষে এই জুটি ১৫৯ বল খেলে ৯৬ রান যোগ করে অপরাজিত থেকে যান। ত্রিপুরা ৫৭ ওভার ব্যাট করে ৩ উইকেট হারিয়ে ২০৮ রান করে। বিহারী ৮১ বল খেলে ৬ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৪০ রানে এবং বিজয় শংকর ৯৩ বল খেলে ৬ টি বাউন্ডারি ও ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৫১ রান করে অপরাজিত থেকে যান।গুজরাটের পক্ষে সি টি গজা ৩৮ রানে ২ টি উইকেট দখল করেন।

