স্পোর্টস ডেস্ক, ১০ অক্টোবর।।
হোঁচট খেলো ত্রিপুরা। নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে। পরাজিত হলো মনিপুরের বিরুদ্ধে। ৭৪ রানে। মূলত ব্যাটসম্যানদের চূড়ান্ত ব্যর্থতায়। আর এই পরাজয়ের জন্য মূলত দায়ী রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার কর্তারা। শেষ সময়ে দল গড়ার ফলে ঠিকমতো অনুশীলন করতে পারেননি ত্রিপুরার ক্রিকেটাররা। এর জন্য নিজেদের ঠিকভাবে ম্যানেজ করতে পারেননি বলে মনে করছেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। অনূর্ধ্ব ১৯ বালিকাদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে। গুয়াহাটি এসসিএ ক্রিকেট একাডেমি মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মনিপুরের ১৪১ রানের জবাবে ত্রিপুরা সর্বসাকুল্যে মাত্র ৬৭ রান করতে সক্ষম হয়েছে। যা রাজ্যের ক্রিকেট ইতিহাসে লজ্জাজনক ঘটনা। এদিন সকালে টসে জয়লাভ করে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে মনিপুর নির্ধারিত ২০ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে ১৪১ রান করে। ত্রিপুরার নির্বিশ বোলিংয়ের সামনে শুরু থেকে স্কোর বোর্ড সচল রাখার দিকে নজর দেন মনিপুরের ক্রিকেটাররা। দলকে লড়াই করার স্কোরে নিয়ে যেতে মুখ্য ভূমিকা নিয়েছেন তানিয়া নাইটৌজাম। একপ্রকার ঝড়ো গতিতে ব্যাট করেন তানিয়া। মাত্র 36 বল খেলে নয়টি বাউন্ডারির সাহায্যে ৫৬ রানে অপরাজিত থেকে যান। এছাড়া দলের পক্ষে ক্রিটি মৈরেংথেম ২৯ বল খেলে চারটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৩০, সুমাইয়া ২৯ বল খেলে ২ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ২১ এবং কিবরিয়া ২৫ বল খেলে ৩ টি বাউন্ডারির সাহায্যে ২০ রান করেন। ত্রিপুরার পক্ষে তানিয়া ছেত্রী ১৮ রানে দুটি উইকেট দখল করেন। জবাবে খেলতে নেমে মণিপুরের বোলারদের সাঁড়াশি আক্রমণের মুখে ত্রিপুরার ইনিংস গুটিয়ে যায় মাত্র ৬৭ রানে। রাজ্য দলের পক্ষে সায়ন্তিকা নম দাস যদি কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারতেন তাহলে ত্রিপুরা স্কোর সম্ভবত ৪০ রানের গণ্ডি পার হতো না। সায়ন্তিকা তিরিশ বল খেলে একটি বাউন্ডারির সাহায্যে ২৫ রান করেন। ত্রিপুরার আর কোনও ব্যাটসম্যান ২২ গজে রুখে দাঁড়াতে পারেননি। মনিপুরের পক্ষে ননীবালা ১৩ রানে তিনটি এবং থকচম পুনি দেবী ৯ রানে ২ টি করে উইকেট দখল করেন । ১২ অক্টোবর ত্রিপুরার প্রতিপক্ষ সিকিম।

