বুধবার মুখ্যমন্ত্রী ঊনকোটি জেলা সফর সেরে আগরতলায় ফিরছিলেন বৈদ্যুতিক ট্রেনে। গত দুইদিন আগে রাজ্যের রেল মানচিত্রে  সংযোজন হয়েছিল বৈদ্যুতিক রেল পরিষেবা। যাত্রাপথে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা জানতে পারেন ট্রেনটির পরিচালনাকারী লোকোমোটিভ কর্মীদের মধ্যে একজন হলেন রাজ্যের মেয়ে দেবলীনা রায়। তিনি আগরতলার রামনগরের বাসিন্দা।

ডেস্ক রিপোর্টার,৫ ফেব্রুয়ারি।।
         নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী স্ব-শক্তি করণের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রাজ্যের কন্যা দেবলীনা রায়। তিনি রাজ্যের ত্রিপুরার প্রথম মহিলা লোকো পাইলট। তাঁর এই স্বীকৃতির জন্য সংবর্ধনা জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। বুধবার সন্ধ্যায় আগরতলা রেল স্টেশনে স্ব-উদ্যোগে সংবর্ধনা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে পাওয়া অপ্রত্যাশিত সংবর্ধনায় আপ্লুত লোকো পাইলট দেবলীনা।
        বুধবার মুখ্যমন্ত্রী ঊনকোটি জেলা সফর সেরে আগরতলায় ফিরছিলেন বৈদ্যুতিক ট্রেনে। গত দুইদিন আগে রাজ্যের রেল মানচিত্রে  সংযোজন হয়েছিল
বৈদ্যুতিক রেল পরিষেবা। যাত্রাপথে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা জানতে পারেন ট্রেনটির পরিচালনাকারী লোকোমোটিভ কর্মীদের মধ্যে একজন হলেন রাজ্যের মেয়ে দেবলীনা রায়। তিনি আগরতলার রামনগরের বাসিন্দা।


এই তথ্য জানার পর মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা দেবলীনা রায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। ট্রেন আগরতলা স্টেশনে আসার পর মুখ্যমন্ত্রী দেবলীনা সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সাক্ষাৎ করেন এবং তাঁকে সংবর্ধনা জানান। পুরুষ তান্ত্রিক একটি পেশায় সমস্ত বাধা টপকে লোকো পাইলট হওয়ার জন্য দেবলীনাকে বাহবা দেন মুখ্যমন্ত্রী।
   মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা বলেন, ত্রিপুরার একজন কন্যা লোকোমোটিভ দলের অংশ জেনে তিনি গর্বিত বোধ করছেন।
   মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, নারী ক্ষমতায়ন নিয়ে আলোচনা হলেও, নারীদের প্রযুক্তিগত ও পরিচালনাগত দায়িত্ব গ্রহনের বাস্তব রূপ   প্রতিফলিত করলেন রাজ্যের দেবলীনা।


ত্রিপুরার মেয়েরা এখন বিমান চলাচল সহ রেলওয়েসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করছে। দেবলীনার এই সাফল্য অর্জনকে সমগ্র রাজ্যের জন্য গর্বের বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *