কৈলাসহর ডেস্ক, ৭ সেপ্টেম্বর।।
বাড়িতে ফিরে এলো কৈলাসহরের দুর্গাপুরের বাসিন্দা যাদব সূত্রধর। তবে জীবিত নয়, মৃত।একেবারে কফিন বন্দী দেহ। শনিবার রাতে যাদবের নিথর লাশ পৌঁছায় তার বাড়িতে। গত কয়েক বছর আগে কাজের খোঁজে মহারাষ্ট্রে পাড়ি দিয়েছিলেন যাদব সূত্রধর। পেশায় গাড়ি চালক। গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে কর্মরত অবস্থায় হৃদ রোগে আক্রান্ত হয় যাদব। সঙ্গে সঙ্গে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় মুম্বাইয়ের ডক্টর আর এন কপার মিউনিসিপাল জেনারেল হাসপিটালে। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শনিবার রাত ১০টা নাগাদ যাদব সূত্রধরের মৃতদেহ পৌঁছায় তার কৈলাসহরের দুর্গাপুরস্থিত বাড়িতে। খবর পেয়ে রাতেই যাদব সূত্রধরের বাড়িতে ছুটে যান স্থানীয় বিধায়ক বীরজিত সিনহা। তিনি কথা বলেন যাদব সূত্রধরের পরিবারের সঙ্গে। যাদব সূত্রধরের মৃত্যুর পর তার মৃতদেহ মুম্বাই থেকে আনার জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহার দ্বারস্থ হয়েছিলেন বীরজিত সিনহা। পরবর্তী সময়ে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে মুম্বাই থেকে বিমানে করে যাদব সূত্রধরের মৃতদেহ আনা হয় আগরতলায়।সেখান থেকে সড়ক পথে যাদবের মৃতদেহ কৈলাসহরের তাঁর নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
গত কয়েক বছর আগে কাজের খোঁজে মহারাষ্ট্রে পাড়ি দিয়েছিলেন যাদব সূত্রধর। পেশায় গাড়ি চালক। গত ২ সেপ্টেম্বর রাতে কর্মরত অবস্থায় হৃদ রোগে আক্রান্ত হয় যাদব। সঙ্গে সঙ্গে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় মুম্বাইয়ের ডক্টর আর এন কপার মিউনিসিপাল জেনারেল হাসপিটালে। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। শনিবার রাত ১০টা নাগাদ যাদব সূত্রধরের মৃতদেহ পৌঁছায় তার কৈলাসহরের দুর্গাপুরস্থিত বাড়িতে। খবর পেয়ে রাতেই যাদব সূত্রধরের বাড়িতে ছুটে যান স্থানীয় বিধায়ক বীরজিত সিনহা। তিনি কথা বলেন যাদব সূত্রধরের পরিবারের সঙ্গে। যাদব সূত্রধরের মৃত্যুর পর তার মৃতদেহ মুম্বাই থেকে আনার জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহার দ্বারস্থ হয়েছিলেন বীরজিত সিনহা। পরবর্তী সময়ে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে মুম্বাই থেকে বিমানে করে যাদব সূত্রধরের মৃতদেহ আনা হয় আগরতলায়।সেখান থেকে সড়ক পথে যাদবের মৃতদেহ কৈলাসহরের তাঁর নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

