সুনিত সরকার বলেন, ” ভয় থেকে বিজেপির আক্রান্ত কর্মীরা এমনটা করেছেন। কারণ তাদের ছবি সংবাদ মাধ্যমে আসলে তারা মথার গুণ্ডা বাহিনীর”টার্গেট পয়েন্টে চলে আসবে । তাতে তাদের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। এই আতঙ্ক থেকে মিডিয়ার লোকজনকে ছবি তুলতে বারণ করেছে তারা।”

ডেস্ক রিপোর্টার, ২৩এপ্রিল।।
                     ”  প্রদেশ বিজেপির সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য্যের উপস্থিতিতে ভগৎ সিং যুব আবাসের উত্তেজনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপ্রচার করছে কংগ্রেস – সিপিআইএম।”- বক্তা প্রদেশ বিজেপির মিডিয়া ইনচার্জ সুনিত সরকার।
     সুনিত সরকার জানিয়েছেন, গত ১৭ এপ্রিল এডিসির ভোট গণনার পর রাজ্যের পাহাড় জুড়ে শুরু হয় প্রদ্যুৎ বাহিনীর সন্ত্রাস। তিপ্রামথার গুণ্ডারা বিজেপির কর্মী – সমর্থকদের বাড়িঘরে প্রবেশ করে মারধর, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, ছিনতাই সবই সংগঠিত করে। মথার গুণ্ডা বাহিনীর রুদ্ররোষে বিজেপির নেতা – কর্মী – সমর্থকরা ভয়ে বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে আসে নিরাপদ আশ্রয়ে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গাতে বিজেপির আক্রান্ত কর্মীরা আশ্রয় নিয়েছে নিরাপদ স্থানে।

ভগৎ সিং যুব আবাস পরিদর্শনে রাজীব ভট্টাচার্য ( ফাইল ছবি)

এই সময় সংবাদ মাধ্যমের লোকজনও গিয়েছিলো তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে।

প্রদেশ বিজেপির মিডিয়া ইনচার্জের কথায়,  শহরের ভগৎ সিং যুব আবাসেও আশ্রয় নিয়েছিলো বিজেপির আক্রান্ত কর্মী – সমর্থকরা।গত ২০ এপ্রিল
তাদেরকে দেখতে ভগৎ সিং যুব আবাসে গিয়েছিলেন প্রদেশ বিজেপির সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য। এই সময় সংবাদ মাধ্যমের লোকজনও গিয়েছিলো তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে। বিজেপির আক্রান্ত কর্মীরা মিডিয়ার লোকজনকে চিৎকার করে ছবি তুলতে বারণ করেন। তাতে মৃদু উত্তেজনা বিরাজ করে।

ভয়ে মিডিয়ার লোকজনের দিকে তেড়ে আসা বিজেপির আক্রান্ত কর্মী।( ফাইল ছবি)

ছবি সংবাদ মাধ্যমে আসলে বিজেপির আক্রান্ত কর্মীরা চলে আসবে মথার গুণ্ডা বাহিনীর “টার্গেট পয়েন্টে”।

মিডিয়ার লোকজনকে দেখে বিজেপির আক্রান্ত কর্মীরা এমন আচরণ কেন করলেন? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে সুনিত সরকার বলেন, ” ভয় থেকে বিজেপির আক্রান্ত কর্মীরা এমনটা করেছেন। কারণ তাদের ছবি সংবাদ মাধ্যমে আসলে তারা মথার গুণ্ডা বাহিনীর”টার্গেট পয়েন্টে চলে আসবে ওরা । তাতে তাদের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। এই আতঙ্ক থেকে মিডিয়ার লোকজনকে ছবি তুলতে বারণ করেছে তারা।”সুনিত সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, এই ঘটনাকে নতুন ভাবে রং দেওয়ার চেষ্টা করছে বিরোধীরা। তারা নিজেদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করে বলছে, ” বিজেপির প্রদেশ সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য ভগৎ সিং যুব আবাসে যাওয়াতে, তাঁকে দেখে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে স্ব-দলীয় আক্রান্ত কর্মীরা।”

প্রদ্যুৎ বাহিনীর সন্ত্রাসে জ্বলছে ভাজপার অফিস। ঘটনা মনু- বনকুলে।( ফাইল ছবি)

“বাস্তবে এই ঘটনা সম্পূর্ণ ভুল। মিডিয়ার লোকজনকে নিয়ে মৃদু উত্তেজনার পরও প্রদেশ সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য আরও প্রায় আধা ঘণ্টা ভগৎ সিং যুব আবাসে অবস্থান করেছিলেন। কই? তখন তো কিছুই হয় নি?”- নিজের বক্তব্যে একথার যোগ করেছেন সুনিত।


রাজ্য জুড়ে চলতে থাকা তিপ্রামথার সন্ত্রাসকে চাপা দিতে কংগ্রেস – সিপিআইএম অত্যন্ত নগ্ন ভাবে ভগৎ সিং যুব আবাসে ঘটনার ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে অপপ্রচার করছে।

বিজেপির প্রদেশ নেতা সুনিত সরকারের স্পষ্ট বক্তব্য, ” রাজ্য জুড়ে চলতে থাকা তিপ্রামথার সন্ত্রাসকে চাপা দিতে কংগ্রেস – সিপিআইএম অত্যন্ত নগ্ন ভাবে ভগৎ সিং যুব আবাসে ঘটনার ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে অপপ্রচার করছে। বিরোধীদের এই ভূমিকা অত্যন্ত দুঃখ জনক।”
          সুনিত ঘুর পথে বুঝাতে চেয়েছেন, বিরোধীরা আক্রান্ত লোকজনের দুঃখকে নিয়ে বকলমে উপহাস করছেন। এটা কোনো ভাবেই কাম্য নয়।
        
       


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *