ডেস্ক রিপোর্টার, ২০ জুন।।
       এক সময় উত্তর – পূর্বাঞ্চলের মাদক বাণিজ্যের ক্যাপিটল বলা হতো মণিপুর – মিজোরামকে। এখন অবশ্যই প্রতিবেশী দুই রাজ্যের সঙ্গে টেক্কা দিয়ে ড্রাগস সিন্ডিকেটের “ক্যাপিটলের” তকমা ছিনিয়ে নিয়েছে ত্রিপুরা। রাজ্যের শহর থেকে সমতল, গ্রাম থেকে পাহাড় সর্বত্রই মাদকময়। মাদক সামগ্রীর গন্ধে ম, ম করছে গোটা রাজ্য।প্রতিদিন পুলিশ উদ্ধার করছে মাদক সামগ্রী। গ্রেফতার করছে মাদক হ্যান্ডেলারদের। কিন্তু মাদক সাম্রাজ্যের রাঘব বোয়ালরা কোথায়? পুলিশও সঠিক ভাবে এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে নি। বা দিচ্ছে না।
            শুক্রবার রাতে আগরতলা শহরের প্রাণ কেন্দ্র শিবনগর অরুন্ধতী অ্যাপার্টমেন্টের এক ভাড়াটিয়ার ফ্ল্যাট থেকে পুলিশ প্রচুর পরিমাণ কফ সিরাপ উদ্ধার করেছে। আটক করা হয়েছে এই ফ্ল্যাটের বাসিন্দা তরুণী গৃহবধূ সারীয় রিয়াং-কে। পুলিশ মোট ৭৪৯ বোতল কফ সিরাপ উদ্ধার করেছে তরুণী গৃহবধূর ফ্ল্যাট থেকে। তার স্বামী লিটন দেববর্মা পলাতক। কৃশানু দেব নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে লিটন – সারীয় ফ্ল্যাটটি ভাড়া নিয়েছিল।
            গোটা রাজ্য জুড়ে মাদক কারবারিরা পুলিশকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে? অকুস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকের প্রশ্ন শুনে সদর এসডিপিও দেব প্রসাদ রায় বলেন, মাদক কারবারী নয়, পুলিশই পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে। কিন্তু মাদক কারবারের মূল মাস্টার মাইন্ডরা?
        রাজ্যের পুলিশ কর্তারা মাদক বাণিজ্য রুখতে কাজ করছেন। এতে কোনো সন্দেহ নেই। প্রায় প্রতিদিন তারা উদ্ধার করছে মাদক সামগ্রীর চালান। তা সত্ত্বেও তারা কোনো এক অজ্ঞাত কারণে মাদক বাণিজ্যের মূল রুটে পৌঁছতে পারছে না। বা তাদের পৌঁছতে দেওয়া হচ্ছে না। এই কারণেই মাদক সিন্ডিকেটের সিংহভাগ এলিট ক্লাসের কারবারীরা আছে বহাল তবিয়তে। আড়ালে আবডালে থেকে মাদক সিন্ডিকেট পরিচালনা করছে প্রথম সারির ড্রাগস মাফিয়ারা।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *