সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটির তথ্য অনুযায়ী,২ সেপ্টেম্বরের হিসাবে দেশের বড় ৫০টি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লার মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে।
দেশের ৫০টি কেন্দ্রে নির্ধারিত ৫৮.৭ মিলিয়ন টন কয়লার পরিবর্তে বর্তমানে রয়েছে মাত্র ২৮.২ মিলিয়ন টন—যা নির্ধারিত সীমার মাত্র ৪৮ শতাংশ।
ডেস্ক রিপোর্টার,৬ সেপ্টেম্বর।।
চার বছর পর ফের দেশে বড়সড় বিদ্যুৎ সংকটের আশঙ্কা দানা বাঁধছে। গরমের কারণে দেশজুড়ে বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং বর্ষার ফলে কয়লা সরবরাহে তৈরি হওয়া বিঘ্নই এর মূল কারণ।
সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটির তথ্য অনুযায়ী,২ সেপ্টেম্বরের হিসাবে দেশের বড় ৫০টি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কয়লার মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে।
দেশের ৫০টি কেন্দ্রে নির্ধারিত ৫৮.৭ মিলিয়ন টন কয়লার পরিবর্তে বর্তমানে রয়েছে মাত্র ২৮.২ মিলিয়ন টন—যা নির্ধারিত সীমার মাত্র ৪৮ শতাংশ।
৫০টি কেন্দ্রের মধ্যে ৪৫টি দেশীয় কয়লাভিত্তিক
৪টি আমদানিকৃত কয়লাভিত্তিক এবং ১টি কয়লার বর্জ্য চালিত।বর্তমান যে মজুত রয়েছে, তা দিয়ে আর মাত্র ৯ দিন উৎপাদন চালানো সম্ভব।পরিস্থিতি সামাল দিতে কয়লা মন্ত্রক আন্তঃমন্ত্রক দল গঠন করে দৈনিক নজরদারি চালাচ্ছে
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ বজায় রাখতে অনেক কেন্দ্রে কয়লার অভাবের কারণে রুটিন রক্ষণাবেক্ষণের কাজ আপাতত স্থগিত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।তবে কয়লা মন্ত্রকের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বর্ষার মেঘ কাটতে শুরু করলেই সরবরাহের গতি স্বাভাবিক হতে শুরু করবে এবং গ্রাহকদের এখনই আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।

