আগামী এক মাসের মধ্যেই ত্রিপাক্ষিক চুক্তি বাস্তবায়িত হবে। তাতে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে লান্ডস রাইটস। আগামী কিছু দিনের মধ্যেই রাজ্যে আসছে একটি কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। কথা বলবেন বিভিন্ন লোকজনের সঙ্গে। তবে বর্তমান ল্যান্ড রাইটসের খসড়াও কিছু সংশোধন করা হবে।
ডেস্ক রিপোর্টার,৬ সেপ্টেম্বর।।
২০২৪ সালে কেন্দ্রীয় সরকার, রাজ্য সরকার ও তিপ্রাসাদের মধ্যে হওয়া ত্রিপাক্ষিক চুক্তি বাস্তবায়নের স্বপ্ন দেখছে রাজ্যের জনজাতিরা। ত্রিপাক্ষিক চুক্তির মধ্যে অন্যতম ছিলো ল্যান্ডস রাইটস অর্থাৎ জমির অধিকার। পাহাড়ের আসন্ন গ্রাম পরিষদ নির্বাচনে ত্রিপাক্ষিক চুক্তিকে সামনে রেখেই বিজেপির সঙ্গে জোট ধর্ম রক্ষা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে প্রদ্যুৎ কিশোরের তিপ্রামথা। সেই অনুযায়ী দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের দরবারে হয়েছে বৈঠক।
রবিবার দিল্লি থেকে ফিরে এসেছেন তিপ্রামথার অন্যতম নেতা তথা বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মা। তিনি বলেন, আগামী এক মাসের মধ্যেই ত্রিপাক্ষিক চুক্তি বাস্তবায়িত হবে। তাতে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে লান্ডস রাইটস। আগামী কিছু দিনের মধ্যেই রাজ্যে আসছে একটি কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। কথা বলবেন বিভিন্ন লোকজনের সঙ্গে। তবে বর্তমান ল্যান্ড রাইটসের খসড়াও কিছু সংশোধন করা হবে।
রঞ্জিত দেববর্মা বলেন, দুই ধাপে জনজাতিরা তাদের জমির অধিকার ফিরে পাবে। ত্রিপাক্ষিক চুক্তির মধ্যে জমির অধিকারকেই অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
আসন্ন গ্রাম পরিষদ নির্বাচনে আসন বন্টন প্রসঙ্গে রঞ্জিত দেববর্মা বলেন, এই বিষয় নিয়ে বিজেপির সঙ্গে বৈঠক হবে। এই বৈঠকে বিজেপির পক্ষে উপস্থিত থাকবেন মন্ত্রী রতন লাল নাথ। মথার পক্ষে থাকবেন তিনি নিজে। সঙ্গে বৃষকেতু দেববর্মা ও রুনিয়েল দেববর্মা।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহাও দিল্লি থেকে ফিরে জানিয়েছিলেন, ভিলেজ নির্বাচনের পরেই জনজাতিদের ত্রিপাক্ষিক চুক্তি বাস্তবায়িত করা হবে। একই সুরে বলেছেন প্রদ্যুৎ কিশোর। রঞ্জিত দেববর্মার বর্শার মুখও একই দিকে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য, আনুষ্ঠানিক ভাবে জনজাতিদের জমির অধিকার বাস্তবায়িত হলে আক্ষরিক অর্থে ক্ষতি হবে রাজ্যের। সমস্যায় পড়বে রাজ্যের অনুপজাতিরাও। ধাক্কা লাগতে পারে বিজেপির বাঙালি ভোট ব্যাংকে। কারণ জনজাতিরা জমির অধিকার পেয়ে গেলে এডিসি এলাকা থেকে নিশ্চিত ভাবে বিতাড়িত হতে হবে বাঙালিদের।

