ডেস্ক রিপোর্টার, ৯ অক্টোবর।।
        নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে শনিবার যন্তরমন্তরে জমায়েতের ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। সেই প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘিরে দিল্লি যেন দুর্গে পরিণত হয়েছে। অন্তত ২৬ হাজার পুলিশ এবং আধাসেনা মোতায়েন করা হয়েছে শহরজুড়ে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে নয়াদিল্লি রেল স্টেশনে ট্রেন ঢোকা। একই দৃশ্য হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনেও। ফলে অন্যান্য বহু ট্রেনের মতোই বাতিল হয়েছে কলকাতা থেকে দিল্লিগামী জোড়া রাজধানী এক্সপ্রেস। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বিরোধীরা।
       এদিকে দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, ১০ অক্টোবর যন্তরমন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচির আবেদন মঞ্জুর করা হয়নি। এহেন বেআইনি সমাবেশে যেন কেউ যোগ না দেন, আমজনতার মধ্যে সেকথা প্রচারও করছে পুলিশ। একইসঙ্গে দিল্লির সমস্ত মদের দোকান বন্ধ করে দিয়েছে আবগারি দপ্তর। বলা হয়েছে, ককরোচ প্রতিবাদের জেরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে শুক্র এবং শনিবার প্রত্যেকটি মদের দোকান বন্ধ থাকবে।তাছাড়া রাজধানীতে অতিরিক্ত ১১ হাজার সিএপিএফ নামানো হয়েছে বলে খবর। সবমিলিয়ে ২৬ হাজারে পৌঁছে গিয়েছে দিল্লিতে মোতায়েন কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা।
      ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদ কর্মসূচির আগে দিল্লিকে দুর্গে পরিণত করা হয়েছিল। মেট্রো-রেল স্টেশন বন্ধ করে, একাধিক রাস্তায় ব্যারিকড করে দিয়েছিল পুলিশ। শহরজুড়ে অন্তত ২৬ হাজার নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন করা হয়েছিল। গণপরিবহনে এহেন মারাত্মক কড়াকড়ির বিরোধিতায় সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি। শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আমজনতার যানবাহন ব্যবহারে লাগাম টানা যাবে না। ট্রেন-মেট্রো পুরোপুরি বন্ধ করা যাবে না।



 


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *