Oplus_16908288

ডেস্ক রিপোর্টার,১২ অক্টোবর।।
এসআইআরের নামে ‘ভোটচুরি’, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে সোমবার ‘সুপ্রিম কোর্ট অভিযান’ করল ‘ইন্ডি’ জোট। অভিযানে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে ছিলেন কংগ্রেসের শীর্ষনেতারা, যোগ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, একাধিক বাম নেতা এবং সমাজবাদী পার্টির নেতাকর্মীরা।জানা গিয়েছে, প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের সঙ্গে দেখা না হলেও সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে একটি পিটিশন জমা দেবেন বিরোধী দলের নেতারা।যদিও গতকাল রাতেই প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দেন, ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের সময় দিতে পারবেন না তিনি। পাশাপাশি জানান, ইন্ডি জোট যে বিষয় উত্থাপন করার পরিকল্পনা করেছেন, সেগুলি ইতিমধ্যে বিচারাধীন এবং সুপ্রিম কোর্টে সেগুলির শুনানি চলছে। আদালত রাজনীতি করার জায়গা নয় বলেও বার্তা দেন তিনি।অন্যদিকে একই সময়ে সাংবাদিক সম্মেলনে বিরোধীদের ‘বিদেশি শক্তির হাতের পুতুল’ বলে তোপ দাগল বিজেপি।এদিকে প্রশাসনিক সূত্রে খবর বিক্ষোভে উত্তাল দিল্লিতে মোতায়েন ২০ হাজার আধাসেনা। আরও একমাস রাজধানীর সুরক্ষার দায়িত্বে থাকবেন তাঁরা।
    এদিকে ১০ অক্টোবরের ব্যাপক কড়াকড়িতে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন ভেস্তে যাওয়ার পর রাজনৈতিক পারদ চড়ছে। পুলিশি কড়াকড়িকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ফের আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে সিজেপি। আর এই প্রেক্ষাপটেই দিল্লি পুলিশের সঙ্গে রাজনৈতিক সংঘাতে নতুন মোড় এসেছে।


ককরোচ জনতা পার্টির নেতারা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দিল্লি পুলিশকে প্রতিবাদের স্থান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য পরিষ্কার করতে হবে। এই আলটিমেটামের পরেই দিল্লি পুলিশ স্পষ্ট করে জানিয়ে দেয় যে, ঐতিহ্যবাহী প্রতিবাদের মঞ্চ যন্তর মন্তর আর প্রতিবাদের জন্য ব্যবহার করা যাবে না।যন্তর মন্তরের পরিবর্তে প্রতিবাদ কর্মসূচি করার জন্য দিল্লি প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিনটি বিকল্প জায়গার নাম প্রস্তাব করা হয়েছে—রামলীলা ময়দান, বুরারি ময়দান এবং সিবিডি ময়দান।পুলিশের এই নিষেধাজ্ঞার পরেই সিজেপি নেতা অভিজিৎ দীপকের কড়া হুঙ্কার—”এবার গোটা দেশই যন্তর মন্তরে পরিণত হবে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *