ডেস্ক রিপোর্টার,১৩ সেপ্টেম্বর।।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও প্রদেশ বিজেপির সভাপতি অভিষেক দেবরায়কে ঘুমে রেখে বাধারঘাটে এক এলিট ক্লাসের তোলাবাজ প্রসেনজিৎ রায়কে যুব মোর্চার মণ্ডল সভাপতি করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছে বিধায়িকা মিনা সরকারের কয়েকজন তোলাবাজ ভাই। অর্থের বিনিময়ে তাদেরকে আস্কারা দিচ্ছেন বিজেপির সদর জেলা কমিটির এক ভদ্রবেশী ভেকধারী নেতা।
শহর দক্ষিণের সিদ্ধি আশ্রমের বৈষ্ণবটিলা এলাকার বাসিন্দা প্রসেনজিৎ রায়। তার মূল পেশা তোলাবাজি। আর এই তো*লাবা*জির মাধ্যমে বিজেপিকে কালিমালিপ্ত করাই তার উদ্দেশ্য। এখন এই তোলাবাজ প্রসেনজিৎ’কে বাধারঘাট যুব মোর্চার মণ্ডল সভাপতি করার জন্য প্রজেক্ট করেছে বিধায়িকা মিনা সরকারের তোলাবাজ কোর কমিটি। তারা ঘুরছে নেতাদের দরজায় দরজায়। প্রসেনজিৎ রায়কে বাধারঘাট যুব মোর্চার মণ্ডল সভাপতির দায়িত্ব না দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে খোদ মুখ্যমন্ত্রী।এরপরেও বাধারঘাট মণ্ডলের তোলাবাজ নেতারা প্রসেনজিৎ রায়কে নিয়ে লাফালাফি করছে। কারণ, প্রসেনজিৎ রায়কে যুব মোর্চার মণ্ডল সভাপতি করতে পারলে বাধারঘাট মন্ডলের তো*লাবাজ কোর কমিটির বাণিজ্য বেড়ে যাবে আরও কয়েকগুণ। এই অঙ্ক পরিষ্কার।খবর অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর নিষেধ সত্ত্বেও বাধারঘাট মণ্ডলের তো*লাবা*জ কোর কমিটির নেতারা প্রসেনজিৎ রায়কে নিয়ে দ্বারস্থ হয়েছে সদর জেলা কমিটির এক ভেকধারী নেতার কাছে। অবশ্যই এই নেতাবাবু নিজেও নানান ভাবে ক*লঙ্কি*ত। তাকে মোটা অঙ্কের অফার দিয়েছে বাধারঘাট তো*লাবা*জ কমিটির থাপ্পলদাররা। নোটের গন্ধ পেয়ে সদর জেলা কমিটির চরিত্রহীন লম্ফট নেতাও অফার লুফে নিয়েছেন। তথ্য অনুযায়ী, তিনি মাঠে নেমে বিজেপির সদর জেলার বিজেপির সভাপতি রঘুনাথ লোধের উপর নাকি চাপ সৃষ্টি করছেন, প্রসেনজিতের রায়কে বাধারঘাট মন্ডলের যুব মোর্চার সভাপতি করার জন্য। আসলে “রতনে, রতন চেনে…..” এই প্রবাদ বাক্যটি বিজেপির এই সংক্রান্ত তো*লাবা*জ নেতাদের জন্যই খুবই প্রযোজ্য।

খবর অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর নিষেধ সত্ত্বেও বাধারঘাট মণ্ডলের তোলাবাজ কোর কমিটির নেতারা প্রসেনজিৎ রায়কে নিয়ে দ্বারস্থ হয়েছে সদর জেলা কমিটির এক ভেকধারী নেতার কাছে। অবশ্যই এই নেতাবাবু নিজেও নানান ভাবে ক*লঙ্কি*ত। তাকে মোটা অঙ্কের অফার দিয়েছে বাধারঘাট তো*লাবা*জ কমিটির থাপ্পলদাররা। নোটের গন্ধ পেয়ে সদর জেলা কমিটির চরিত্রহীন লম্ফট নেতাও অফার লুফে নিয়েছেন। তথ্য অনুযায়ী, তিনি মাঠে নেমে বিজেপির সদর জেলার বিজেপির সভাপতি রঘুনাথ লোধের উপর নাকি চাপ সৃষ্টি করছেন, প্রসেনজিতের রায়কে বাধারঘাট মন্ডলের যুব মোর্চার সভাপতি করার জন্য। আসলে “রতনে, রতন চেনে…..” এই প্রবাদ বাক্যটি বিজেপির এই সংক্রান্ত তো*লাবা*জ নেতাদের জন্যই খুবই প্রযোজ্য।

বাধারঘাটের স্ব – ঘোষিত নিষ্কলুষ (!) বিধায়িকা মিনা সরকার ও স্ব – ঘোষিত নিষ্কলুষ (!) মন্ডল সভাপতি মণীষ দেব কি জানেন না প্রসেনজিৎ রায়ের তো*লাবা*জি বাণিজ্যের সাম্রাজ্যের কথা? মিনা – মণীষ উভয়েই কিভাবে তোলাবাজ প্রসেনজিৎ রায়ের সঙ্গে “ফটো সেশন” করেন? তাদের কাছে কি প্রসেনজিৎ রায়ের কালো বাণিজ্যের কোনো খবর নেই? যদি না থাকে, তাহলে তারা সংগঠক হিসাবে চূড়ান্ত ব্যর্থ।

তোলাবাজ প্রসেনজিৎ – র ফটো সেশন।
এই সমস্ত পদ ধরে রাখা,তাদের কোনো অধিকার নেই।বলছেন বাধারঘাট বিধানসভার বিজেপির নিষ্ঠাবান কর্মকর্তারা। তবে অবশ্যই ” জনতার মশাল”- র কাছে প্রসেনজিৎ রায়ের কালো বাণিজ্যের সমস্ত খবর রয়েছে। বাইপাসে দাঁড়িয়ে কিভাবে গাড়ি আটক করে তো*লাবা*জি করে প্রসেনজিৎ রায়? মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কিভাবে আদায় করে কমিশন?এই সংক্রান্ত অডিও – ভিডিও ক্লিপ পৌঁছেছে ” জনতার মশাল- র কাছে। কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফাঁস হবে এই সংক্রান্ত তথ্য। শুধু সময়ের অপেক্ষা।

