তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, দশমী থেকে পয়লা বৈশাখ সুদীপের বাড়িতে মিষ্টির হাড়ি নিয়ে হাজির হন মনীষ ।সুদীপের পায়ে ধরে নমস্কার করেন। এবং বিজেপির সংসারের সমস্ত গোপন খবর ফাঁস করেন কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মনের কাছে।সেটা কি জানেন মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপির নেতা – নেত্রী?  বিজেপির নেতাদের উদ্দেশ্যে আমরা বলছি, আপনারা এই সমস্ত অভিযোগের তদন্ত করুন। পেয়ে যাবেন সব সত্যতা। তাও আবার তথ্য  প্রমাণ সহ।

ডেস্ক রিপোর্টার,১৯ অক্টোবর।।
        “বাধারঘাটের রাজপথে দাঁড়িয়ে রাজ্যের নিষ্কলুষ মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহাকে কু – ভাষায় গালাগাল। প্রদেশ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক চন্দন ও মুখ্যমন্ত্রীর আপ্ত সহায়ক কমল মল্লিককে গালাগাল।”- কে করেছেন?
    এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন বাধারঘাটের বিজেপির সৎ নিষ্ঠাবান কর্মীরা। তাদের সরাসরি অভিযোগের তীর বর্তমান মণ্ডল সভাপতি মনীষ দেবের দিকেই। তারা বলছেন, মনীষ রাজপথে মুখ্যমন্ত্রী ও উনার সঙ্গে থাকা লোকজনকে বিশ্রী ভাষায় গালাগালি করেন নিয়মিত। বাজারে, বাজারে বলে বেড়ান মুখ্যমন্ত্রী নাকি সরকার চালাতে ব্যর্থ। তিনি নাকি সিপিআইএমের লোকদের সঙ্গে নিয়ে চলাফেরা করেন।

।মনীষ দেব।

রাজ্যের নিষ্কলুষ  মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহার উদ্দেশ্যে আমরা JM 24News বলছি, ” আপনি বাধারঘাট মন্ডলের কোর কমিটির সদস্যদের পৃথক পৃথক ভাবে ডেকে এনে তাদের সঙ্গে কথা বলুন। তাহলেই সব স্পষ্ট হয়ে যাবেন। পেয়ে যাবেন বাধারঘাট মন্ডলের সভাপতি মনীষ দেবের বিরুদ্ধে উঠা সমস্ত অভিযোগের তথ্য প্রমাণ।


বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিপ্লব কুমার দেব ক্ষমতায় আসতে পারে!  এই সুপ্ত বাসনা মনে এটে মণীষ সমান্তরাল ভাবে সম্পর্ক রেখে চলছে মিমি মজুমদারের সঙ্গে। এই ক্ষেত্রে তার মাধ্যম হচ্ছে চারিপাড়া এলাকার জমির দালাল তথা মনীষ দেবের জমি ব্যবসার পার্টনার “বিভাস মামা”র ভাই বিকাশ । বিকাশ এখন সর্বক্ষণ থাকে মিমি মজুমদারের সঙ্গে। মূলত সে ইন্দ্র – মনীষের দূত। এই ঘটনা সম্পর্কে এখনো ঘুমে বিধায়িকা মিনারানী সরকার।


শুধু কি তাই?  এখানেই শেষ নয়, মনীষ নিয়মিত যাতায়াত করে কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মনের দরবারে। বিজেপির সংগঠনের ভিতরের কথা ফাঁস করেন সুদীপ রায় বর্মনের কাছে। বলছেন বিজেপি কর্মীরা।
      তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, দশমী থেকে পয়লা বৈশাখ সুদীপের বাড়িতে মিষ্টির হাড়ি নিয়ে হাজির হন মনীষ ।সুদীপের পায়ে ধরে নমস্কার করেন। এবং বিজেপির সংসারের সমস্ত গোপন খবর ফাঁস করেন কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মনের কাছে।সেটা কি জানেন মুখ্যমন্ত্রী ও বিজেপির নেতা – নেত্রী?  বিজেপির নেতাদের উদ্দেশ্যে আমরা বলছি, আপনারা এই সমস্ত অভিযোগের তদন্ত করুন। পেয়ে যাবেন সব সত্যতা। তাও আবার তথ্য  প্রমাণ সহ।


লোক মুখে শোনা যায়,২০১৬ সালের শেষ লগ্নে শহরের প্যারারাইস চৌমুনীতে সিপিআইএমের প্রাক্তন বিধায়ক সুবল রুদ্র- র কোয়ার্টারে দাঁড়িয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কদর্য ভাষায় গালাগাল করেছিলেন
মনীষ দেব। মোদীর ছবিতে থুথু দিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে একজন চরিত্রহীন পুরুষ বলেও আখ্যা দিয়েছেন বিজেপির হালের এই টুনু নেতা। তারও তথ্য – প্রমাণ দেবেন প্রত্যক্ষদর্শীরা ।
      বাধারঘাট বিজেপির কর্মীদের বক্তব্য, ২৩- র বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক লগ্নে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন চিনেপুটি মনীষ দেব। তাই বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের ভাবা উচিত তারা কোন ” বিষধর সাপকে” বাধারঘাটের মণ্ডল সভাপতি করেছেন?


১৮ সালে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর সিদ্ধি আশ্রমের বিধায়ক রাম প্রসাদ পালের ভাই তুলসী পালকে মারধরের মামলা জড়িয়ে পড়েছিলেন মনীষ দেব ।যদিও তিনি তুলসীর শরীরে স্পর্শ করার সাহস দেখাতে পারেন নি। মূল কাজ করেছেন সিদ্ধি আশ্রমের লোকজন। তখন ভয়ে মাথা ন্যাড়া করে পালিয়ে গিয়েছিলেন। আজ নাকি তিনি মস্ত বড় বিজেপি নেতা ও মাস্তান। অভিযোগ, এই মুহূর্তে মনীষ দেবের  শক্তির ভর কেন্দ্র সিদ্ধি আশ্রমের তোলাবাজ ইন্দ্র নম: ।


বাধারঘাটের বিজেপির কর্মীদের কথায়, এই মুহূর্তে মনীষ দেব নিজেকে অত্যন্ত শক্তিশালী মনে করছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা ও তাঁর পারিষদ বর্গ, কাউকেই নজরে লাগছে না।  “জনতার মশাল” ও JM24Newsকে হুমকি দিচ্ছেন । তাও আবার বাড়ির রান্না ঘরের পাশে থাকা কালো বিড়ালের মতো । মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহার উদ্দেশ্যে বাধারঘাটের বিজেপি কর্মীদের বক্তব্য,  ” মুখ্যমন্ত্রী  সঠিক ভাবে তদন্ত করলেই সব বেরিয়ে আসবে। মনীষ দেবের সম্পর্কে আমাদের উত্থাপিত সমস্ত প্রশ্নের উত্তরও পেয়ে যাবেন তিনি।। নয়তো একদিন মনীষ মুখ্যমন্ত্রীর ঘরকেই উই পোকার মতো কেটে দেবেন।
তাই মুখ্যমন্ত্রীর সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।  মনীষকে দল থেকে বহিস্কারের দাবি তুলছেন বাধারঘাটের বিজেপি কর্মীরাই।তাদের বক্তব্য, গোটা বাধারঘাটে মনীষ দেবের  কোনো জনপ্রিয়তা নেই। একই অবস্থা বিধায়িকা মিনা সরকারের।

মাদক ব্যবসায়ী ও তোলাবাজদের সঙ্গে বিধায়িকা ও মন্ডল সভাপতি

বাস্তব অর্থে মুখ্যমন্ত্রীর ভাবা উচিত মিনা – মনীষকে
দিয়ে ২৮- র বিধানসভা নির্বাচনে বাধারঘাটে কি ভোট বৈতরণী অতিক্রম করতে পারবে  বিজেপি? কারণ মিনা থেকে মনীষ ও ইন্দ্র’ র কাছে দল নয়, তাদের ব্যবসাই বড়।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *