স্পোর্টস ডেস্ক, ১৮ অক্টোবর।।
      এক বছর পর। এলিট গ্রুপের খেলার ছাড়পত্র অর্জন করলো ত্রিপুরা। রবিবার প্লেট গ্রুপের ফাইনালে ত্রিপুরা ঘাম ঝরিয়ে পরাজিত করলো মিজোরামকে। ৪ উইকেটে। অনূর্ধ্ব ১৯ ভিনু মানকর ট্রফি এক দিবসীও ক্রিকেটের প্লেট গ্রুপে। ভুবনেশ্বরের কে আই আই টি ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মিজোরামের গড়া ১৬৭ রানের জবাবে ত্রিপুরা ১৮ বল বাকি থাকতে ছয় উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয়। এদিন মিজোরামের রানের জবাব দিতে নেমে এক সময় চাপে ছিল ত্রিপুরা। ভুল অবস্থায় প্রথমে সিদ্ধার্থ দেবনাথ, পরে অয়ন রায় এবং আকাশ সরকার দুরন্ত ব্যাটিং করে ত্রিপুরাতে কাঙ্খিত এলিটে তুলে নেন। একদিন সকালে টসে জয়লাভ করে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ত্রিপুরার বোলারদের সাঁড়াশি আক্রমণের মুখে শুরু থেকে চাপে পড়ে যায় মিজোরাম। দলনায়ক মাপিয়া যদি করা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে না পারতেন তাহলে মিজোরামের স্কোর সম্ভবত ১০০ রানের গণ্ডি পার হতো না। ঠান্ডা মাথায় ব্যাট করে মাপুইয়া কার্যত একা টেনে নিয়ে যান দলকে। মিজোরামের অধিনায় একটি ৮৭ বল খেলে চারটি বাউন্ডারিও তিনটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ৬২ রান করেন। এছাড়া দলের পক্ষে দিনপুইয়া ৪৩ বল খেলে চারটি বাউন্ডারির সাহায্যে ২৭ এবং লাউমা ৩০ বল খেলে একটি বাউন্ডারি ও একটি ওভার বাউন্ডারির সাহায্যে ২২ রান করেন। ত্রিপুরার পক্ষে দ্বীপ দেব ২১ রানে, সপ্তদ্বীপ দত্ত ৩০ রানে এবং রিয়াদ হোসেন ৩১ রানে দুটি করে উইকেট দখল করেন। জবাবে খেলতে নেমে শুরু থেকে চাপে পড়ে যায় ত্রিপুরা। এক সময় ৪২ রানে চার উইকেট হারিয়ে দল ছিল খাদের কিনারায়। এই অবস্থায় সিদ্ধার্থ দেবনাথের সঙ্গে প্রথমে দেবজ্যোতি পাল রুখে দাঁড়ান। দেবজ্যোতি সেট হয়ে নিজের উইকেটটি কার্যত ছুড়ে দিয়ে আসেন। আউট হওয়ার আগে ৪১ বল খেলে একটি বাউন্ডারির সাহায্যে ২১ রান করেন। সিদ্ধার্থ ৬৭ বল খেলে চারটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৪০ রান করেন। ৯৬ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে পুরো যখন গভীর চাপে তখনই ব্যাট হাতে রুখে দাঁড়ান অয়ন রায় এবং আকাশ সরকার। মিজোরামের বোলারদের যাবতীয় আক্রমণ ঠান্ডা মাথায় মোকাবেলা করে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন দলকে। শেষ পর্যন্ত ওই জুটি অবিচ্ছিন্ন থেকে ত্রিপুরাকে কাঙ্খিত জয় এনে দেন। ত্রিপুরা ৪৭ ওভার ব্যাট করে ৬ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয়। অয়ন ৫৩ বল খেলে দুটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৪৫ রানে এবং আকাশ ৭৩ বল খেলে পাঁচটি বাউন্ডারির সাহায্যে ৩৬ রানে অপরাজিত থেকে যান। মিজোরামের পক্ষে রেন্টলুয়াঙ্গা ১৭ রানে ২ টি উইকেট দখল করেন। আসরে অপরাজিতভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ত্রিপুরা।






Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *