ডেস্ক রিপোর্টার, আগরতলা।।
চাইলে সবই সম্ভব।সপ্তমীর দিনেই পুলিশ ও প্রশাসনের তৎপরতায় কার্যত ভেস্তে গেল আত্মসমর্পণকারী বৈরী সংগঠন এনএলএফটি ও এটিটিএফ এর কাওলাজয় গোষ্ঠীর ডাকা ৭২ ঘণ্টার আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়ক অবরোধ কর্মসূচি।
পূর্ব নির্ধারিত ঘোষণা অনুযায়ী, সপ্তমীর দিনে ৭২ ঘণ্টার জাতীয় সড়ক অবরোধে অংশ নিতে তেলিয়ামুড়ার বড়মুড়ার চন্দ্র সাধুপাড়া এলাকায় জড়ো হয় কাওলাজয় গোষ্ঠীর কর্মীরা। খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় জিরানিয়া মহকুমা প্রশাসন ও বিশাল পুলিশ বাহিনী।এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনা করা হয় এবং উৎসবের মরশুমে সাধারণ মানুষের কথা মাথায় রেখে অবরোধ কর্মসূচি প্রত্যাহারের অনুরোধ জানানো হয়। কিন্তু অবরোধকারীরা প্রশাসনের সেই আবেদনে সাড়া না দিয়ে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় থাকে।
পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হলে কঠোর অবস্থান নেয় পুলিশ প্রশাসন। ঘটনাস্থল থেকেই আন্দোলনের মূল নেতা কাওলাজয় ত্রিপুরাসহ বেশ কয়েকজন অবরোধকারীকে আটক করে পুলিশ। পরবর্তীতে নিরাপত্তার কারণে তাঁদের আগরতলার এডি নগর থানায় নিয়ে যাওয়া হয় অবরোধকারীদের আটক করার সময় পুলিশের উপর চড়াও হওয়ার অভিযোগ ওঠে। এই ধস্তাধস্তিতে প্রসেনজিৎ দাস ও কাজল দেববর্মা নামে দুই পুলিশকর্মী আহত হন। তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।পুলিশ প্রশাসনের সময়োপযোগী এবং দৃঢ় পদক্ষেপে বড়সড় অশান্তির আশঙ্কা দূর হয়েছে। উৎসবের মরশুমে আসাম-আগরতলা জাতীয় সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং যাত্রীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন।

