ডেস্ক রিপোর্টার,১৭ অক্টোবর।।
      বিদ্রোহের আগুনে জ্বলছে পাক অধিকৃত কাশ্মীর।তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে পাকিস্তানি সেনার বর্বরতা।বিদ্রোহ দমনের নামে সেখানে চলছে গণহত্যা। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা।এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রসংঘের হস্তেক্ষেপের দাবিতে সরব হল ভারত।
নয়াদিল্লির প্রশ্ন, এহেন নৃশংসতার পরেও কেন আন্তর্জাতিক সংগঠনটি এখনও নীরব?
অস্বাভাবিক হারে কর বৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি তো ছিলই, তার উপর পাক সরকারের দমনপীড়নে অতিষ্ঠ পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জনতা। পাক সরকারের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ নিয়ে টানা প্রতিবাদ মিছিল করছে জম্মু ও কাশ্মীর জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি। প্রতিবাদ রুখতে বিভিন্ন জায়গায় পাক রেঞ্জার্স ও পুলিশবাহিনী মোতায়েন করেছে সরকার। লস্কর-সহ একাধিক জঙ্গি সংগঠনকে ব্যবহার করা হচ্ছে বিক্ষোভ থামাতে। চলছে নৃশংস অত্যাচার, গুম খুন। এরই প্রতিবাদে আন্দোলন তীব্র করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে অধিকৃত কাশ্মীরের জনতা।
এই অবস্থায় বুধবার রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশনারের সঙ্গে একটি অধিবেশনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে দিল্লির প্রতিনিধি অনুজ স্বরূপ ভারতের বক্তব্য তুলে ধরে। তিনি বলেন, “অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তান সরকার যে পদক্ষেপগুলি করেছে, তা নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশন কবে রিপোর্ট দেবে? পাকিস্তানের উচিত নিজেদের দিকে নজর দেওয়া। খাইবার পাখতুনখোয়া-সহ বহু অঞ্চল, এমনকী অবৈধ ভাবে তাদের দখলে থাকা রাওয়ালাকোটেও মানুষ কীভাবে তাঁদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।” অন্যদিকে, পাক সেনার তরফে যে গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে, তা পুঙ্খানুপুঙ্খ ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। স্বরূপ আরও বলেন, “আমাদের প্রতিবেশ দেশ এবং পশ্চিমি দেশগুলির হিংসাত্মক বিক্ষোভে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। বলার অপেক্ষা রাখে না, এই ধরনের দ্বিমুখী নীতি এবং বহুপাক্ষিকতার কারণে মানবাধিকার কমিশনের উপর আস্থা হারচ্ছে।” অধিকৃত কাশ্মীরের কথা বলতে গিয়ে স্বরূপ মহাত্মা গান্ধীর প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তাঁর কথায়, “গান্ধীর নেতৃত্বে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অহিংসা ও সমতার আদর্শর ছিল। এটিই ভারতের সংবিধানকে রূপ দিয়েছে।”


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *