“রাজ্যের খাদ্য দপ্তর তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঢাউশ ঢাউশ বিজ্ঞাপন দিয়ে বলছে, “ত্রিপুরা সরকার আয়রন, ফলিক অ্যাসিড এবং ভিটামিন বি১২-র মতো অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টিবর্ধিত চাল সরবরাহের মাধ্যমে অপুষ্টি মোকাবেলায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই উদ্যোগটির লক্ষ্য জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধন করা এবং লক্ষ লক্ষ মানুষের পুষ্টিগত কল্যাণ বৃদ্ধি করা।”
ডেস্ক রিপোর্টার, ১৪ আগস্ট।।
খাদ্য দপ্তর রাজ্যের রেশন গুলিতে সরবরাহ করছে নিম্ন মানের চাল – ডাল! রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে উঠে এসেছে এই সংক্রান্ত তথ্য সমৃদ্ধ অভিযোগ। রেশন ভুক্তাদের বক্তব্য, সরবরাহকৃত চাল – ডাল এতটাই নিম্নমানের, যা নাকি পশু খাওয়ার অযোগ্য। তাহলে মানুষ খাবে কিভাবে? এই সমস্ত চাল – ডাল মানুষের খাওয়ার জন্য অযোগ্য। আর খেলে নিশ্চিত ঠক ঠক করতে হবে হাসপাতালের দরজা। শেষ পরিণতি হতে পারে মৃত্যুও। কারণ এই সমস্ত চাল – ডাল বিষের চেয়েও বেশি। এমনই দৃশ্য ফুটে উঠলো সিপাহীজলার বৈরাগী বাজার ও দক্ষিণ জেলাতে।

রাজ্যের খাদ্য দপ্তর তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঢাউশ ঢাউশ বিজ্ঞাপন দিয়ে বলছে, “ত্রিপুরা সরকার আয়রন, ফলিক অ্যাসিড এবং ভিটামিন বি১২-র মতো অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টিবর্ধিত চাল সরবরাহের মাধ্যমে অপুষ্টি মোকাবেলায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই উদ্যোগটির লক্ষ্য জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধন করা এবং লক্ষ লক্ষ মানুষের পুষ্টিগত কল্যাণ বৃদ্ধি করা।”

রাজ্য সরকারের খাদ্য দপ্তরের এই বিজ্ঞাপনের বয়ানের সঙ্গে রেশনে সরবরাহ করা চাল – ডালের (অনেক ক্ষেত্রেই).কোনো মিল পাওয়া যাচ্ছে না। এই সংক্রান্ত বহু দৃষ্টান্ত রয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন রেশনশপে। স্থির ও সচল ছবি রয়েছে আমাদের কাছেও।প্রতিবেদনের সঙ্গে এই সংক্রান্ত ছবি সেটে দিয়েছি আমরা।

বাস্তব অর্থে রাজ্যের মন্ত্রী – নেতাদের কাছে সাধারণ মানুষ যেন “ছাপোষা”।
বাস্তব অর্থে রাজ্যের মন্ত্রী – নেতাদের কাছে সাধারণ মানুষ যেন “ছাপোষা”। তারা নিম্ন মানের রেশন সামগ্রী খেয়ে অসুস্থ হলে বা মৃত্যু হলেও রাজ্যের নীতি নির্ধারকদের কিছু আসে যায় না।

এটা স্পষ্ট বুঝতে পেরেছেন রাজনীতির গবেষণাগারের গিনিপিকরা। অর্থাৎ রাজ্যের খেটে খাওয়া গরীব নিম্ন – মধ্যবিত্ত মানুষ জন। রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তন ঘটলেও আক্ষরিক অর্থে ছাপোষা জনতার ভাগ্যের কোনো হেরফের হয় নি।

রাজ্যে কেন নিম্ন মানের চাল – ডাল সরবরাহ করা হচ্ছে? তা কি খতিয়ে দেখবেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী? এই প্রশ্ন সাধারণ মানুষের।

