১৯৪৭—ভারতের ইতিহাসের এক যুগান্তকারী বছর। স্বাধীনতার আনন্দের পাশাপাশি দেশভাগ নিয়ে এসেছিল গভীর ক্ষত। রাতারাতি বদলে গিয়েছিল মানুষের ঠিকানা, ছিন্ন হয়েছিল পরিবার, ভেঙে পড়েছিল বহু মানুষের স্বপ্ন।
ডেস্ক রিপোর্টার, ১৪ আগস্ট।। দেশভাগের সেই যন্ত্রণা, রক্তক্ষয় এবং উদ্বাস্তু জীবনের স্মৃতি আজও বয়ে চলেছে বহু পরিবার। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের সময় ঘটে যাওয়া মানুষের দুর্ভোগ ও ত্যাগকে স্মরণ করতে প্রতি বছর ১৪ আগস্ট পালিত হয় ‘বিভাজন বিভীষিকা স্মৃতি দিবস’। ২০২১ সাল থেকে দেশ জুড়ে পালিত হয় এই দিবসটি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই দিনটি চালুর ঘোষণা করেছিলেন।
দেশভাগ নিয়ে মাউন্ট ব্যাটনের সঙ্গে জহরলাল নেহেরু ও মোঃ আলী জিন্নাহ।( সংগৃহীত)
১৯৪৭—ভারতের ইতিহাসের এক যুগান্তকারী বছর। স্বাধীনতার আনন্দের পাশাপাশি দেশভাগ নিয়ে এসেছিল গভীর ক্ষত। রাতারাতি বদলে গিয়েছিল মানুষের ঠিকানা, ছিন্ন হয়েছিল পরিবার, ভেঙে পড়েছিল বহু মানুষের স্বপ্ন।
দেশভাগের সময় লক্ষ লক্ষ মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পাড়ি দিতে বাধ্য হন।
দেশভাগের সময় লক্ষ লক্ষ মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে পাড়ি দিতে বাধ্য হন। পথে নেমে আসে অনিশ্চয়তা, আতঙ্ক ও অসহায়তা। অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারান, বহু পরিবার হারায় তাদের প্রিয়জনকে। এই ইতিহাসকে শুধু রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের অধ্যায় হিসেবে নয়, সাধারণ মানুষের যন্ত্রণা ও ত্যাগের ইতিহাস হিসেবেও স্মরণ করার লক্ষ্যেই পালিত হয় বিভাজন বিভীষিকা স্মৃতি দিবস।
দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—হিংসা ও বিভাজনের পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে।
দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়—হিংসা ও বিভাজনের পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের কাছে ইতিহাসের সেই কঠিন অধ্যায় তুলে ধরারও একটি সুযোগ এই দিন।
দেশভাগের ক্ষত হয়তো সময়ের সঙ্গে অনেকটাই ম্লান হয়েছে।
দেশভাগের ক্ষত হয়তো সময়ের সঙ্গে অনেকটাই ম্লান হয়েছে, কিন্তু সেই স্মৃতি আজও বহু মানুষের পরিবার ও ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। বিভাজন বিভীষিকা স্মৃতি দিবস তাই শুধু অতীতকে স্মরণ করার দিন নয়—শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবিকতার মূল্য নতুন করে উপলব্ধি করার দিনও বটে।