এদিন কবির জন্মদিনকে ঘিরে রবীন্দ্র কানন চত্বরে এক মনোরম সাংস্কৃতিক পরিবেশ তৈরি হয়। অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল কচিকাঁচাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ। গুরুকুল ডান্স একাডেমির খুদে নৃত্য শিল্পীদের নৃত্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়। এই নৃত্য পরিচালনা করেছেন গুরুকুল ডান্স একাডেমির নৃত্য গুরু দেবব্রত লস্কর।

ডেস্ক রিপোর্টার,৯ মে।।
              যথাযোগ্য মর্যাদা ও শ্রদ্ধার সাথে শনিবার রাজ্যে পালিত হল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী।এদিন রাজ্য সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আগরতলার রবীন্দ্র কাননে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানের সূচনায় রবীন্দ্র কানন প্রাঙ্গণে অবস্থিত কবিগুরুর মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানান মন্ত্রী সান্তনা চাকমা।অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য,রাজ্য কালচারাল উপদেষ্টা কমিটির সহসভাপতি সুব্রত চক্রবর্তী সহ বিশিষ্ট জনরা।অনুষ্ঠানে কবির আদর্শ ও সৃষ্টির প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে বক্তব্য রাখেন মন্ত্রী সান্তনা চাকমা।
এদিন কবির জন্মদিনকে ঘিরে রবীন্দ্র কানন চত্বরে এক মনোরম সাংস্কৃতিক পরিবেশ তৈরি হয়। অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল কচিকাঁচাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ। গুরুকুল ডান্স একাডেমির খুদে নৃত্য শিল্পীদের নৃত্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়। এই নৃত্য পরিচালনা করেছেন গুরুকুল ডান্স একাডেমির নৃত্য গুরু দেবব্রত লস্কর। স্থানীয় খুঁদে শিল্পীরা রবীন্দ্রসংগীত, কবিতা আবৃত্তি এবং নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে কবিগুরুকে শ্রদ্ধা জানায়। ছোটদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানটিতে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করে।


এদিন রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্তের সাধারণ মানুষও  রবীন্দ্র কাননে ভিড় জমায় প্রিয় কবিকে স্মরণ করতে। দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কবিগুরুর চেতনাকে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিতেই প্রতিবছরের মতো এবারও প্রভাতে কবি প্রণাম অনুষ্ঠানের বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে তা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
  সর্ব্বপরি,রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর—বাঙালির মনন ও চেতনার এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর সৃষ্টি কেবল সাহিত্য নয়, বরং আমাদের জীবনের প্রতিটা মুহূর্তের সঙ্গী। আনন্দ, বেদনা, প্রেম কিংবা আধ্যাত্মিকতা—সবখানেই কবিগুরু প্রাসঙ্গিক।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *