নিখোঁজ হোটেল মালিক সুশান্ত দেবের স্ত্রীর অভিযোগ, স্থানীয় বিধায়িকা মিনা রানী সরকারের সাথে এই বিষয়ে দেখা করার চেষ্টা করলেও তিনি তাঁদের সাথে সাক্ষাৎ করেননি। মিনা সরকারের জ্বর। এই কারণে তিনি নাকি খাট থেকেই নামবেন না। ছিঃ ছিঃ।
ডেস্ক রিপোর্টার, ৯ মে।। রাজধানীর হাপানিয়ার মেডিকেল কলেজ চৌমুহনী এলাকায় এক হোটেল মালিকের রহস্যজনক নিখোঁজ হওয়া এবং তার আগে হোটেলে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিখোঁজ হোটেল মালিকের নাম সুশান্ত দেব। এই ঘটনায় পুলিশের নিস্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে শনিবার রাজধানীর ফায়ার ব্রিগেড স্থিত পশ্চিম জেলার এসপি অফিসের সামনে ধর্ণায় বসে নিখোঁজ সুশান্ত দেবের পরিবার।
হোটেল মালিক সুশান্ত দেবের দাবি, এই হামলায় নিলয় সিং সহ আরও কয়েকজন জড়িত ছিল।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত ৪ মে রাতে হাপানিয়াস্থিত ‘রয়েল হাব’ নামক একটি হোটেলে অতর্কিত হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। হোটেল মালিক সুশান্ত দেবের দাবি, এই হামলায় নিলয় সিং সহ আরও কয়েকজন জড়িত ছিল। হামলাকারীরা হোটেলের সিসিটিভি ক্যামেরা ভেঙে ফেলে ব্যাপক লুটপাট চালায় এবং সুশান্ত দেবের গলা থেকে স্বর্ণের চেইন সহ অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী ছিনিয়ে নেয়।
গত ৮ মে বাড়ি থেকে আগরতলা শহরের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে আর ফিরে আসেননি সুশান্ত দেব।
হোটেলে হামলার পর আমতলী থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হলেও পরিবারের দাবি, পুলিশ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। এরই মধ্যে গত ৮ মে বাড়ি থেকে আগরতলা শহরের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে আর ফিরে আসেননি সুশান্ত দেব।এদিন রাতেই পরিবারের পক্ষ থেকে আমতলী থানায় একটি মিসিং ডায়েরি করা হয়। কিন্তু নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পার হয়ে গেলেও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে পরিবার।
হোটেল আক্রমণে অভিযুক্ত নিলয় সিং,দেবাশীষ কর ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
উপায়ান্তর না পেয়ে শনিবার এসপি অফিসের সামনে ধর্ণায় বসে নিখোঁজ হোটেল মালিক সুশান্ত দেবের পরিবারের সদস্যরা।তাদের দাবি নিখোঁজ সুশান্ত দেবকে অতি দ্রুত উদ্ধার করতে হবে।হোটেল আক্রমণে অভিযুক্ত নিলয় সিং,দেবাশীষ কর ও তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।
মিনা সরকারের জ্বর। এই কারণে তিনি নাকি খাট থেকেই নামবেন না। ছিঃ ছিঃ।
নিখোঁজ হোটেল মালিক সুশান্ত দেবের স্ত্রীর অভিযোগ, স্থানীয় বিধায়িকা মিনা রানী সরকারের সাথে এই বিষয়ে দেখা করার চেষ্টা করলেও তিনি তাঁদের সাথে সাক্ষাৎ করেননি। মিনা সরকারের জ্বর। এই কারণে তিনি নাকি খাট থেকেই নামবেন না। ছিঃ ছিঃ।
প্রতীকী ছবি।
আজ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ত্রাস সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আমতলী থানা কতৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নেই নি বলে অভিযোগ।
এই ঘটনায় অভিযুক্ত নিলয় ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা হাপানিয়া এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে রেখেছে বলে অভিযোগ।কারন এই ঘটনাই নয়,এর আগেও তাদের বিরুদ্ধে একাধিক হামলা হজ্জুতির অভিযোগ রয়েছে।কিন্ত আজ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ত্রাস সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে আমতলী থানা কতৃপক্ষ কোন ব্যবস্থা নেই নি বলে অভিযোগ।যদি আমতলী থানা কতৃপক্ষ শুরুতেই ব্যবস্থা গ্রহণ করতো তাহলে হয়ত দুষ্কৃতীরা এতটা মাথাচাড়া দিতে পারত না।এলাকাবাদীদের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট দুষ্কৃতীদের বাড়বাড়ন্তে ত্রিপুরা মেডিকেল কলেজ চৌমুহনী তথা বি আর আম্বেদকর টিচিং হাসপাতাল এলাকার মানুষ তটস্ত। গোটা রাজ্য থেকে চিকিৎসার জন্য আগত মানুষ সহ শিক্ষারত ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবক সহ সবাই এখন মোটের উপর আতঙ্কিত। সবার একই জিজ্ঞাসা নাকের ডগায় আমতলী থানা থাকা সত্ত্বেও কিভাবে বছরের পর বছর মাসের পর মাস দুষ্কৃতীদের আস্ফালন সহ্য করতে হচ্ছে এলাকার মানুষকে।
প্রশ্ন উঠছে, এটা রাজ্য প্রশাসনকে কালিমালিপ্ত করার মাস্টার প্ল্যান নয় তো?
পুলিশের এই হেঁয়ালিপণার কারণে রাজ্য সরকার যে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে তা বলাই বাহুল্য। প্রশ্ন উঠছে, এটা রাজ্য প্রশাসনকে কালিমালিপ্ত করার মাস্টার প্ল্যান নয় তো?পুলিশের এই হেঁয়ালিপণার কারণে রাজ্য সরকার যে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে তা বলাই বাহুল্য। প্রশ্ন উঠছে, এত রাজ্য প্রশাসনকে কালিমালিপ্ত করার মাস্টার প্ল্যান নয় তো?