ডেস্ক রিপোর্টার, ১১ আগস্ট।।
ক্ষুদিরাম বসু। দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সর্ব কনিষ্ঠ শহীদ। আজ দেশের এই বীরের ১১৮তম আত্ম বলিদান। ক্ষুদিরাম বসু ছিলেন অনুশীলন সমিতির একজন সৈনিক। দেশ মাতৃকাকে ব্রিটিশের হাত থেকে রক্ষা করতেই ব্রিটিশ বিচারক ম্যাজিস্ট্রেট কিংসফোর্ডের গাড়িতে বোমা ছুড়েছিলেন ক্ষুদিরাম বসু ও প্রফুল্ল চাকী। কিন্তু এই গাড়িতে কিংসফোর্ড ছিলেন না। তিনি বেঁচে গিয়েছিলেন বরাত জোরে। এই ঘটনার পর প্রফুল্ল চাকি নিজেই পিস্তল দিয়ে আত্ম হত্যা করেছিলেন। গ্রেপ্তার হয়েছিলেন ক্ষুদিরাম বসু। কিংসফোর্ডের গাড়িতে বোমা নিক্ষেপের অপরাধে ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট মাত্র ১৮ বছর বয়সে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলে আত্ম বলিদান দিয়েছিলেন বাংলা তথা দেশের বাঙালি বীর ক্ষুদিরাম বসু।
ক্ষুদিরামের আত্ম বলিদান দিবস গোটা দেশের সঙ্গে রাজ্যেও বিক্ষিপ্ত ভাবে পালিত হয়। তবে তেমন কোনো আরম্ভর থাকে না।যদিও এই রাজ্যের ৭০ শতাংশ বাঙালি। তবে বিপদে পড়লে এই রাজ্যের বাঙালিরা গর্ব করে বলে, ” আমরা ক্ষুদিরামের উত্তরসূরি”।
তবে অবশ্যই ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য রাজ্যের ক্ষুদিরাম বসুর স্মৃতি রক্ষা কমিটির। তারা প্রতি বছরের মতো এবারও আজকের দিনে ক্ষুদিরাম বসুর ১১৮ তম আত্ম বলিদান দিবস পালন করেছে।এদিন তারা মিছিল করে আগরতলা শহর পরিক্রমা করে উজ্জয়ন্ত প্রসাদের সামনে রাখা ক্ষুদিরাম বসুর মর্মর মূর্তিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

