চিঠিতে নির্বাচকদের স্বচ্ছতা, আম্পায়ার ও ভিডিও অ্যানালিস্টদের আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং খেলোয়াড়দের বকেয়া ডিএ ও মেডিকেল বিল দ্রুত মেটানোর দাবিও তোলা হয়েছে। ক্রিকেটকে ‘কলঙ্কমুক্ত’ রেখে ত্রিপুরা ক্রিকেটকে সঠিক দিশায় ফেরাতে সম্পাদককে কঠোর ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এই বিশেষ ক্রিকেট সংগঠক।
স্পোর্টস ডেস্ক, ২৯ এপ্রিল।।
ত্রিপুরা ক্রিকেটের মানোন্নয়নে একগুচ্ছ প্রস্তাব ও একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে ত্রিপুরা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের (টিসিএ) সম্পাদক সুব্রত দে-কে খোলা চিঠি লিখলেন ক্রিকেট সংগঠক জয়ন্ত দে। দীর্ঘ ১৫ বছরের অভিজ্ঞতার নিরিখে লেখা এই চিঠিতে জয়ন্তবাবু মূলতঃ বিগত কয়েক মরশুমে রাজ্য দলের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের দিকে আঙুল তুলেছেন। তাঁর দাবি, ২০২২-২৩ মরশুমে সিনিয়র মহিলা দল টি-টোয়েন্টিতে এবং ২০২৩-২৪ মরশুমে একদিনের ক্রিকেটে নকআউটে পৌঁছালেও, ২০২৫-২৬ মরশুমে অনূর্ধ্ব-২৩ মহিলা দল একটি ম্যাচও জিততে পারেনি। একইভাবে সিনিয়র পুরুষ দলের পারফরম্যান্সও নিম্নমুখী; রঞ্জি ট্রফিতে যেখানে দল আগে ভালো অবস্থানে ছিল, সেখানে শেষ দুই মরশুমে সপ্তম স্থানে নেমে যাওয়াকে তিনি অশনি সংকেত হিসেবে দেখছেন। বহিরাগত কোচ ও সাপোর্ট স্টাফ এনেও কেন ফলাফল আসছে না, সেই প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি তিনি দাবি করেছেন যে, মহকুমা পর্যায়ে ক্রিকেট পরিকাঠামো ভেঙে পড়েছে এবং ৩-৪টি মহকুমায় খেলা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে আছে। জাতীয় স্তরের টুর্নামেন্ট শুরুর আগেই স্কুল পর্যায় ও রাজ্যভিত্তিক জুনিয়র টুর্নামেন্ট শেষ করার ওপর জোর দিয়ে তিনি সিনিয়র ও জুনিয়র উভয় পর্যায়ে ম্যাচের সংখ্যা বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছেন। বিশেষ করে ক্লাব ক্রিকেটে মহিলাদের জন্য বয়স ভিত্তিক কোটা নির্ধারণ এবং সঠিক প্রতিভার সন্ধানে সাব-ডিভিশনগুলিতে অভিজ্ঞ প্রশিক্ষক দ্বারা ১৫ থেকে ২১ দিনের সামার ক্যাম্প করার আর্জি জানিয়েছেন তিনি। চিঠিতে নির্বাচকদের স্বচ্ছতা, আম্পায়ার ও ভিডিও অ্যানালিস্টদের আধুনিক প্রশিক্ষণ এবং খেলোয়াড়দের বকেয়া ডিএ ও মেডিকেল বিল দ্রুত মেটানোর দাবিও তোলা হয়েছে। ক্রিকেটকে ‘কলঙ্কমুক্ত’ রেখে ত্রিপুরা ক্রিকেটকে সঠিক দিশায় ফেরাতে সম্পাদককে কঠোর ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এই বিশেষ ক্রিকেট সংগঠক।

