আড়ালিয়া শালবাগান এলাকায় লোকজনের বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনার রাতে আচমকা প্রতাপগড় মন্ডলের যুব মোর্চার সভাপতি মনীশ চক্রবর্তী ও দীপ্তনু শর্মা এক দল যুবকদের নিয়ে তাদের এলাকায় চড়াও হয়। তারা গাড়ি থেকে নেমেই উপস্থিত লোকজনকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করতে শুরু করে। তখন স্থানীয় এক যুবক ঘটনার প্রতিবাদ করতেই তাকে মারধর শুরু করে।
ডেস্ক রিপোর্টার, ২৭ জুন।।
ভেঙে পড়েছে কি শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা? অর্থব পুলিশ! শহর সংলগ্ন আড়ালিয়া শালবাগানে রাতের আধারে হামলা। ভাঙচুর দোকানপাট, স্থানীয় লোকজনকে মারধর। হামলাকারীদের হাত থেকে রক্ষা পায় নি মহিলারাও।স্থানীয়দের অভিযোগ, সামনে দাঁড়িয়ে গোটা ঘটনাকে নেতৃত্ব দিয়েছে ১৩- প্রতাগগড় মন্ডলের যুব মোর্চার সভাপতি মণীশ চক্রবর্তী ও তার সাগরেদ দীপ্তনু শর্মা সহ অন্যান্যরা। দ্বীপ্তনু এএমসি’র ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে কর্মরত। শুক্রবার রাতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় পূর্ব থানার পুলিশ। এই ঘটনায় গোটা অঞ্চলে বিরাজ করছে আতঙ্ক।
আড়ালিয়া শালবাগান এলাকায় লোকজনের বক্তব্য অনুযায়ী, ঘটনার রাতে আচমকা প্রতাপগড় মন্ডলের যুব মোর্চার সভাপতি মনীশ চক্রবর্তী ও দীপ্তনু শর্মা এক দল যুবকদের নিয়ে তাদের এলাকায় চড়াও হয়। তারা গাড়ি থেকে নেমেই উপস্থিত লোকজনকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করতে শুরু করে। তখন স্থানীয় এক যুবক ঘটনার প্রতিবাদ করতেই তাকে মারধর শুরু করে। প্রত্যক্ষদর্শী এক যুবক সরাসরি অভিযোগের আঙুল তুলেছে প্রথম কর মন্ডলের যুব মোর্চার মন্ডল সভাপতি মণীশ চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে।
প্রায় একই অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন স্থানীয় মহিলা। মণীশ – দীপ্তনু সহ গুন্ডাবাহিনী অকথ্য ভাষায় মহিলাদের গালমন্দ করেছে। তারা বিষিয়ে তুলেছে গোটা অঞ্চলের পরিবেশ। ছিঃ ছিঃ। তারাই নাকি বিজেপির যুব ব্রিগেডের নেতা।
শাসক দল বিজেপির নাম নিলামে তুলে প্রতাপগড়ের যুব নেতা মণীশ চক্রবর্তী গোটা বিধানসভা এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে রেখেছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা ও প্রদেশ বিজেপির সভাপতি অভিষেক দেবরায়ের কর্ণকুহরে কি পৌঁছেছে মণীশ চক্রবর্তীর গুন্ডারাজের উপাখ্যান? এটা অবশ্যই মুখ্যমন্ত্রী – প্রদেশ সভাপতি ভালো বলতে পারবেন। মণীশ চক্রবর্তীর নেতৃত্বে মানুষ কতটা আতঙ্কিত?
আসলে আগরতলার বিভিন্ন অংশের মানুষ বিজেপির সিকি – আধুলি নেতাদের যন্ত্রণায় কতটা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে? এটা অবশ্যই খতিয়ে দেখা উচিত প্রদেশ বিজেপির কোর কমিটির। কারণ সিকি – আধুলি নেতারা নিজেদের স্বার্থে দলকে কালিমা লিপ্ত করছে। এই সমস্ত নেতাদের আস্ফালনের কাছে খুবই তুচ্ছ ডাঃ মানিক সাহার পুলিশ। অথচ মুখ্যমন্ত্রী বারবার বলছেন, অপরাধ দমনে তিনি জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করার নির্দেশ দিয়েছেন পুলিশকে। হায় রে! ঘোর বিপদে আছেন রাজ্যের আমজনতা।

