সাজা প্রাপ্তরা হলো – ভাস্কর পাল , পিতা ধনঞ্জয় পাল। সুবীর সাহা, পিতা নেপাল সাহা। ছবি সাহা, স্বামী- প্রদ্যুৎ সাহা। প্রণব দেব, পিতা রবীন্দ্র চন্দ্র দেব। শুভ্র দাস, পিতা সুকেন দাস। খোকন দাস, পিতা মরণ দাস। শান্তা দে, স্বামী – প্রণব দে। টিংকু দেবনাথ, পিতা গোপাল দেবনাথ। সুশান্ত চন্দ্র ভৌমিক( কর্পোরেটর ও মণ্ডল সভাপতি), পিতা প্রদীপ চন্দ্র ভৌমিক। প্রত্যেক অভিযুক্তদের বাড়ি ডুকলি হাউজিং কমপ্লেক্স।
ডেস্ক রিপোর্টার, ২৭ জুন।। রাজ্যের আইন ও বিচার ব্যবস্থা এখন শাসক দল বিজেপির কাছে ঠুনকো! আগরতলা পুর নিগমের ৫১ নম্বর ওয়ার্ডের কর্পোরেটর তথা বিজেপির সূর্যমনি নগর মণ্ডলের মণ্ডল সভাপতি সুশান্ত চন্দ্র ভৌমিক সহ তার আরো নয় জন সঙ্গোপঙ্গোকে সাত দিনের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সাজা প্রাপ্তদের তালিকায় রয়েছে দুই মহিলাও। গত ২২ জুন মামলার রায় ঘোষণা করেন আগরতলার প্রথম শ্রেনীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট স্বস্তিকা দাস। সাজা প্রাপ্তরা হলো – ভাস্কর পাল , পিতা ধনঞ্জয় পাল। সুবীর সাহা, পিতা নেপাল সাহা। ছবি সাহা, স্বামী- প্রদ্যুৎ সাহা। প্রণব দেব, পিতা রবীন্দ্র চন্দ্র দেব। শুভ্র দাস, পিতা সুকেন দাস। খোকন দাস, পিতা মরণ দাস। শান্তা দে, স্বামী – প্রণব দে। টিংকু দেবনাথ, পিতা গোপাল দেবনাথ। সুশান্ত চন্দ্র ভৌমিক( কর্পোরেটর ও মণ্ডল সভাপতি), পিতা প্রদীপ চন্দ্র ভৌমিক। প্রত্যেক অভিযুক্তদের বাড়ি ডুকলি হাউজিং কমপ্লেক্স। ঘটনার সময় সুশান্ত চন্দ্র ভৌমিক আগরতলা পুর নিগমের কর্পোরেটর ছিলেন। সম্প্রতি তিনি পেয়েছেন সূর্যমনি নগর মণ্ডলের মণ্ডল সভাপতির চেয়ার।
কর্পোরেটর সুশান্ত চন্দ্র ভৌমিকের নেতৃত্বে রাতের রাস্তায় পঙ্কজ বর্মণকে মারধর করে রক্তাক্ত করা হয়।
ঘটনা ২০২৩- র ২১ জানুয়ারি। এদিন রাত ১০টা নাগাদ অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পূর্ব থানাধীন সুভাষনগর ডঃ বি.আর. আম্বেদকর স্কুলের কাছে দিয়ে যাওয়ার সময় অভিযোগকারী পঙ্কজ বর্মনকে রাস্তায় পেয়ে যায়। তখন তিনিও যাচ্ছিলেন বাড়ির দিকে। কর্পোরেটর সুশান্ত চন্দ্র ভৌমিকের নেতৃত্বে রাতের রাস্তায় পঙ্কজ বর্মণকে মারধর করে রক্তাক্ত করা হয়। দেওয়া হয় হত্যার হুমকিও।
ঘটনার পরের দিন অর্থাৎ ২২ জানুয়ারি পঙ্কজ বর্মন আগরতলা পূর্ব থানায় মামলা দায়ের করেন।
ঘটনার পরের দিন অর্থাৎ ২২ জানুয়ারি পঙ্কজ বর্মন আগরতলা পূর্ব থানায় মামলা দায়ের করেন সুশান্ত চন্দ্র ভৌমিক সহ বাদবাকি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। মামলাটি ছিলো ২০২৩- র ১২নম্বর।পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৪১ ধারা অর্থাৎ পথ আটকানো।৩২৩ ধারা অর্থাৎ স্বেচ্ছায় আঘাত করা। ৫০৬ অর্থাৎ অপরাধ মূলক হুমকি।ও ৩৪ ধারায় মামলা রুজু করে।
অভিযুক্ত কর্পোরেটর সুশান্ত চন্দ্র ভৌমিক সহ তার ৯ সঙ্গীকে সাতদিনের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় ।
তদন্তকারী পুলিশ এই মামলার চারজনকে গ্রেফতার করেছিল।বাদবাকিদের বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করেছিলো। পুলিশ তদন্ত শেষ করে আদালতে দাখিল করেছিলো চার্জশিট। দীর্ঘ শুনানির পর আদালত সাক্ষ্য বাক্য গ্রহণ , তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্ত কর্পোরেটর সুশান্ত চন্দ্র ভৌমিক সহ তার ৯ সঙ্গীকে সাতদিনের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় ।
অভিযোগ, তাদেরকে উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাইয়ে দিতে সুযোগ করে দেয়।
যদিও আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পুলিশ অভিযুক্ত কর্পোরেটর কাম মন্ডল সভাপতি সুশান্ত চন্দ্র ভৌমিক ও বাদবাকি অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে নি।
অভিযোগ, তাদেরকে উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাইয়ে দিতে সুযোগ করে দেয়। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অভিযুক্তরা হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পায়। এবং নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তারা দ্বারস্থ হয় উচ্চ আদালতে।