Oplus_16908288

ডেস্ক রিপোর্টার, ৫ সেপ্টেম্বর।।
     শেষ পর্যন্ত টানা ৩৬ ঘণ্টা নাটকের পর জাতীয় সড়ক ও রেলপথ অবরোধ মুক্ত করলো রাজ্যের সাতটি আত্মসমর্পণকারী জঙ্গি সংগঠন। শনিবার সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে আসতেই বনধ প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেয় প্রাক্তন বৈরীদের নেতা প্রসেনজিৎ দেববর্মা। তখন উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম জেলার জেলাশাসক বিশাল কুমার।
          দিল্লি থেকে মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে এসেই বলেন, ” প্রাক্তন জঙ্গিদের বিষয়টি তিনি দেখবেন। খোঁজ নেবেন অফিসে গিয়ে।
তিনি রাজ্যের পরেই বড়মুড়া আন্দোলন স্থলে ছুটে যান জেলা শাসক বিশাল কুমার তিনি কথা বলেন, আন্দোলনকারী জঙ্গি নেতাদের সঙ্গে। তাদের দাবিগুলো যুক্তি সঙ্গত বলেও দাবি করেন। এবং সরকার প্রাক্তন জঙ্গিদের দাবি পূরণের সহমত পোষণ করেছে।
       পূর্ব ঘোষিত সূচি অনুযায়ী প্রাক্তন জঙ্গিরা বড়মুড়াতে আন্দোলন শুরু করেছিল শুক্রবার সকাল থেকে। এরফলে মুখ থুবড়ে পড়ে জাতীয় সড়ক ও রেল পথ। সমস্যা পোহাতে হয় সাধারণ মানুষকে। শনিবার দুপুর নাগাদ জরুরি পরিষেবার সঙ্গে জড়িত লোকজন ও অসুস্থ মানুষের পথও আটকে দিয়েছিল প্রাক্তন বৈরীরা। এই ঘটনা কেন্দ্র করে আন্দোলনকারীরা তেড়েফুঁড়ে যায় পুলিশের দিকে। এবং পুলিশকেও পাল্টা হুমকি। এক সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
    খবর অনুযায়ী, রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতনলাল নাথের হস্তক্ষেপে প্রাক্তন জঙ্গিদের বনধ প্রত্যাহার। জঙ্গি নেতা আগে মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। তারপরেই প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত। সাংবাদিক বৈঠক করে একথা জানিয়েছেন মন্ত্রী রতন লাল নাথ নিজেই।
 অবাক করার বিষয় প্রাক্তন জঙ্গিরা কয়েকদিন পর পরেই জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ করে দেয়। পুলিশ বরাবর তাদের কাছে করে আত্মসমর্পণ। মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে এসে কড়া বার্তা দিতেই প্রাক্তন জঙ্গিরা লেজ গুটিয়ে চলে যায়। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, এই নাটকের পেছনে কি রয়েছে আগাম কোনো স্ক্রিপ্ট?


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *