ডেস্ক রিপোর্টার, ৫ সেপ্টেম্বর।।
     শহরের অভয়নগরের স্বপ্না ফাউন্ডেশনে( নেশা মুক্তি কেন্দ্র) থাকা আবাসিকরা কি নিরাপত্তাহীন? স্বপ্না ফাউন্ডেশন থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে এক যুবককে! তার নাম নন্দু দুলাল ভৌমিক। বাড়ি শহরের পশ্চিম প্রতাপগড়ে। বর্তমানে নন্দু দুলাল আছে জেল হাজতে। এই তথ্য দিয়েছিল তার মা গীতা ভৌমিক। পরবর্তী সময়ে দেখা হয়েছে স্বপ্না ফাউন্ডেশনে সংগঠিত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে নন্দু দুলাল ভৌমিকের কোনো যোগ সূত্র নেই। পুলিশ তাকে থানায় এনেছিল। কিন্তু ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা না থাকায় পুলিশ নন্দুকে তার পরিবারের হাতে তুলে দেয়। এই তথ্যও নিশ্চিত করেছেন তার মা।শনিবার সকালে নন্দু দুলাল ভৌমিকের মা ফোন করে জনতার মশালকে জানিয়েছিলেন, “তার ছেলে স্বপ্না ফাউন্ডেশনে ছিলো। এক সময় সে নেশা করতো। এখন সুস্থ। প্রতি মাসে স্বপ্না ফাউন্ডেশনে ৭ হাজার টাকা করে দেওয়া হয় ছেলেকে রাখার জন্য।”গীতা ভৌমিকের কথায়, শনিবার সকালে স্বপ্না ফাউন্ডেশন থেকে তার মোবাইলে ফোন করে এক যুবক। সে জানায় নন্দু দুলাল ভৌমিককে পুলিশ ধরে নিয়ে গিয়েছে। বর্তমানে আছে জেলে।গীতা ভৌমিকের মোবাইলের অপর প্রান্ত থেকে ফোন করে যুবকটি জানিয়েছে, ” স্বপ্না ফাউন্ডেশনের মধ্যে এক ব্যক্তি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছে। তার জন্য দায়ী নন্দু। এই কারণে তাকে পুলিশ ধরে নিয়ে গিয়েছে।”নন্দু দুলাল ভৌমিকের মার বক্তব্য,, “পুরো বিষয়টি রহস্য জনক। শুভম বিশ্বাসের এই নে”শা মুক্তি কেন্দ্রের মধ্যে অনেক অনাচার চলছে। পুলিশকে বিষয় গুলি খতিয়ে দেখা উচিত।” আসলে রহস্য কোথায় প্রোথিত আছে?নন্দুর পরিবারের পক্ষ থেকে পরবর্তীতে জানানো হয়েছে, তাদেরকে ফোন করে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছিল। পুলিশ খুনের ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে স্বপ্না ফাউন্ডেশনের সমস্ত আবাসিকদের পুলিশ থানায় নিয়ে আসে। এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করা হয়। বাদবাকি আবাসিকদের অভিভাবকদের ডেকে এনে তাদের পরিবারের সদস্যদের হাতে সপে দেয় পুলিশ। পশ্চিম প্রতাপগড়’র বাসিন্দা নন্দু দুলাল ভৌমিকেও তার মায়ের হাতে তুলে দিয়েছে পুলিশ। নন্দু এখন তার নিজ বাড়িতেই অবস্থান করছে।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *