ডেস্ক রিপোর্টার, ২৯ সেপ্টেম্বর।।
ভারতের নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও কার্যপ্রণালী নিয়ে তীব্র কটাক্ষ ছুড়ে দিলেন বিরোধী দল নেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী। সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বৈঠক ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা অভিযোগের পর নির্বাচন কমিশনের সাফাই দেওয়ার চেষ্টা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলা হয়েছে, “ঠাকুর ঘরে কে রে, আমি তো কলা খাই না”—আজ বিজেপির অবস্থা ঠিক তেমনই।
প্রকাশ্যে আসা তথ্য অনুযায়ী, গত ১০-১১ মাস ধরে কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বৈঠক নিয়মিত হয়নি। দুই নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্যের ভিত্তিতেই জানা গেছে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার একাই কি সমস্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করছেন? ভোটার তালিকায় ‘ফর্ম-৬’ বা বৈঠকের এজেন্ডা প্রকাশ সংক্রান্ত নতুন নিয়ম নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিরোধী পক্ষ জানতে চায়—তাহলে এতদিন কমিশন কীভাবে পরিচালিত হতো?
বিরোধী দলনেতার বক্তব্য সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে কমিশনের ভূমিকা নিয়ে। নিরপেক্ষতা নিয়ে হাজারও অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা কমিশন সরাসরি সাংবাদিক সম্মেলন করে জবাব দিচ্ছেন না। উল্টে বিজেপি মুখপাত্র এবং মুখ্যমন্ত্রী ড. মানিক সাহাকে দিয়ে কমিশনের হয়ে সাফাই গাওয়ানো হচ্ছে।
বিরোধী নেতৃত্বের বক্তব্য, বিপদকালে বুদ্ধি নাশ হওয়ায় দেশের যুবসমাজ ও কোটি কোটি মানুষের কাছে কমিশনের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। কমিশনের ভাবমূর্তি রক্ষার এই দায় কেন মুখ্যমন্ত্রীর ঘাড়ে পড়ল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচনী ব্যবস্থার নিরপেক্ষতা নিয়ে তীব্র সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে।

