রাজীব ব্যানার্জী ও আশীষ দাস (ফাইল ছবি)

ডেস্ক রিপোর্টার, ৭আগষ্ট।।
“আশীষ দাস ফের তৃণমূল কংগ্রেসে আসার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। আমাকে একজন ফোন করে একথা বলেছেন। আমি কিছু বলি নি। চূড়ান্ত এই সিদ্ধান্ত নেবে দল।” বলছেন, ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেসের পর্যবেক্ষক রাজীব ব্যানার্জী।
তিনি বলেন, “যারা যারা তৃণমূল ছেড়ে যাচ্ছে, তাতে দলের কোনো ক্ষতি হবে না। তৃণমূল কংগ্রেসে আগামী দিনে অনেক নেতা যুক্ত হবে।আরো শক্তিশালী হবে। যেসব নেতারা আজ দল ছেড়ে চলে গেছেন,একদিন তারা আবার তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে পা বাড়াবেন।”
রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য, “রাজনীতিতে এসে যারা ভাবেন, সংসদীয় রাজনীতিতে গিয়ে তারা শুধু মাত্র একজন জনপ্রতিনিধি হবেন, এরকম লোকের তৃণমূল কংগ্রেসে দরকার নেই। যারা সত্যিকারের দল করতে চায়, মানুষের পাশে থেকে এই গণতন্ত্র বিপন্ন ত্রিপুরাকে বাঁচাতে চায়, তারা তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে আগামী দিনে থাকবে।

তৃণমূলকে আলবিদা বাপটু চক্রবর্ত্তীর।

দলছুটদের উদ্দেশ্যে বলতে গিয়ে রাজীব বলেন,”যারা চলে গিয়েছে, তারা নিজেদের স্বার্থ লাভ করতে গিয়েছে। তাতে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনো কিছু হবেনা। তৃণমূল মাঠে ময়দানে নেমে লড়াই করছে। যতক্ষণ না ত্রিপুরায় আমরা গণতন্ত্র ফেরাতে পারবো, উন্নয়ন দিতে পারবো ততদিন লড়াই চলিয়ে যাবে তৃণমূল”।
তৃণমূল ত্যাগী বাপ্টু চক্রবর্তী প্রসঙ্গে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাপটুকে বারবার বলা হয়েছিল জনসংযোগ করতে, তৃণমূল কংগ্রেসের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে। কিন্তু তাকে তৎপরতার সঙ্গে সেভাবে রাজনীতিতে দেখা যায়নি। দলবদল করতে গেলে একটা করে যুক্তি লাগে।
প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেসের ইনচার্জের কথায়, তৃণমূল কংগ্রেস বাপটুকে অনেক সম্মান দিয়েছে।তাকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছিল। দেওয়া হয়েছিলো বিভিন্ন সংগঠনের ইনচার্জের দায়িত্ব। উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ইস্যু দেখিয়ে বাপটু দল ছেড়েছেন। তার এই যুক্তি কখনো গ্রহণযোগ্য নয়। কেননা,উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সমস্ত বিরোধী দল গিয়ে ভোট দিলেও ভারতীয় জনতা পার্টি বা এনডিএর পদপ্রার্থীই জয়লাভ করতো।কারণ সংখ্যা অনুযায়ী তাদের জয়লাভ নিশ্চিত ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *