সোমবারের পর মঙ্গলবারেও সংসদে ২০২০ সালে গালওয়ান কাণ্ড নিয়ে সরব হন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। রাহুলের বক্তব্য ছিলো,গালওয়ান কাণ্ডের আগে থেকেই চিনের কাছে জমি হারাচ্ছিল ভারত। কিন্তু মোদী সরকার নীরব। এর স্বপক্ষে রাহুল প্রাক্তন সেনাপ্রধান এম এম নারাভানের অপ্রকাশিত জীবনী গ্রন্থ থেকে একটি উদ্ধৃতি তুলে ধরার চেষ্টা করেন। এরপরেই তপ্ত হয়ে উঠে সংসদ। শুরু হয় শাসক – বিরোধির বাদানুবাদ।
ডেস্ক রিপোর্টার,৩রা ফেব্রুয়ারি।।
২০২০ সালে লাদাখে চিনা আগ্রাসন নিয়ে মঙ্গলবার দিনভর উত্তাল ছিলো সংসদ। লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা সহ বিজেপির সাংসদরা বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর ভাষণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলে সরব হয় বিরোধীরা। এরপর লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার দিকে কাগজ ছোড়ে মারার অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয় আটজন বিরোধী সাংসদকে।তারা হলেন, সাংসদ হিবি ইডেন, অমরিন্দর সিং রাজা ওয়ারিং, মানিকম টাগোর, গুরজিত সিং অউজলা, কিরণ কুমার রেড্ডি, প্রশান্ত পোডোলে, ডিন কুরিয়াকোস এবং এস ভেঙ্কট রমন।
সোমবারের পর মঙ্গলবারেও সংসদে ২০২০ সালে গালওয়ান কাণ্ড নিয়ে সরব হন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। রাহুলের বক্তব্য ছিলো,গালওয়ান কাণ্ডের আগে থেকেই চিনের কাছে জমি হারাচ্ছিল ভারত। কিন্তু মোদী সরকার নীরব। এর স্বপক্ষে রাহুল প্রাক্তন সেনাপ্রধান এম এম নারাভানের অপ্রকাশিত জীবনী গ্রন্থ থেকে একটি উদ্ধৃতি তুলে ধরার চেষ্টা করেন। এরপরেই তপ্ত হয়ে উঠে সংসদ। শুরু হয় শাসক – বিরোধির বাদানুবাদ।
বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর অভিযোগ, তাকে ভাষণ দিতে দেওয়া হয় নি।ভাষণের সময় বাধা দিয়েছেন শাসক দলের সাংসদ সহ খোদ স্পিকার ওম বিড়লা। বিজেপি সাংসদদের পাল্টা অভিযোগ, বিরোধী সাংসদরা স্পিকার ওম বিড়লার দিকে কাগজ ছোড়ে মারে। এই অভিযোগের ভিত্তিতে স্পিকার বিরোধী আট জন সাংসদকে বহিষ্কার করেন।

