ডেস্ক রিপোর্টার,১১ অক্টোবর।।
এগন্ডাছড়া মহকুমার রইস্যাবাড়ী আর.ডি. ব্লকের অন্তর্গত রাইমা ভিলেজের সাধন পাড়ায় শিশুদের জন্য অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের পাকা ঘর নির্মাণে পুকুর সমান দুর্নীতি। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র নির্মাণ না করে অর্থ গিলে খেয়েছে রাঘব বোয়ালরা। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের পাকা বাড়ি নির্মাণের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল মোট ১৬ লক্ষ ৩৮ হাজার ১১০ টাকা। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের পাকা ঘর নির্মাণের কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। অথচ পুরনো স্কুল ঘরের দেওয়ালে কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার তারিখ উল্লেখ রয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র ক্ষোভ ও আর্থিক তছরুপের নানা প্রশ্ন উঁকি দিয়েছে স্থানীয় জনমনে।
সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের পুরনো স্কুল ঘরের দেওয়ালে লেখা রয়েছে, কাজ শুরু হয়েছে ২০২৪- র ২৫ জানুয়ারি। এবং কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে সেই বছরের ২৩ মে । গ্রামবাসীদের বক্তব্য, বাস্তবে নতুন অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের পাকা ঘর নির্মাণের কাজ এখনো সম্পূর্ণ হয়নি। তাহলে কীভাবে কাজ সম্পূর্ণ দেখানো হলো? বরাদ্দকৃত ১৬ লক্ষ ৩৮ হাজার ১১০ টাকা কোন খাতে ব্যয় করা হয়েছে? বাসিন্দাদের অভিযোগের তীর রইস্যাবাড়ী ব্লকের বিডিও সুরজিৎ রিয়াং ও
রেগা ইঞ্জিনিয়ার সাধন চাকমার দিকে। তবে পুরো ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষ। প্রশ্ন উঠছে, এটাই কি রাজ্যের জনজাতি উন্নয়নের(!) বাস্তব চিত্র? কোথায় আছেন জনজাতিদের উন্নয়নের ফেরীওয়ালা প্রদ্যুৎ কিশোর দেববর্মন ও তার রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক পারিষদ বর্গ?

