যদিও মনশ্রীর বাবা ও তাদের ত্রাতা রাজা সাহা জোড়াতালি দিয়ে ক্রাউড ফান্ডিংয়ের অঙ্কের হিসাব বুঝানোর চেষ্টা করেছেন সাংবাদিক বৈঠক। কিন্তু তাদের কথাবার্তায় ছিল প্রচুর অসংলগ্নতা। সাংবাদিক বৈঠকে তারা অনেক কিছুর স্পষ্টিকরণ দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাতে সন্দেহ আরও তীব্র হয়। তাদের দেওয়া হিসাবে যে বহু গরমিল? তা আন্দাজ করতে কোনো সমস্যা হয় নি কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের ঝানু গোয়েন্দাদের কাছে।

ডেস্ক রিপোর্টার ,২০ সেপ্টেম্বর।।
       শিশু কন্যা মনশ্রী চৌধুরীর চিকিৎসার নামে কোটি কোটি টাকার কেলেঙ্কারি! এই ঘটনা এখন কেন্দ্রীয় ও রাজ্য গোয়েন্দার টচ লাইটের নিচে। আর্থিক তছরুপের সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করছে গোয়েন্দার যৌথ বাহিনী। যে কোনো সময়েই নিষ্পাপ শিশু কন্যা মনশ্রীর মা – বাবা ও রাজা সাহার বিরুদ্ধে  স্বত: প্রণোদিত মামলা নিতে পারে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। রাজ্য গোয়েন্দার সংগৃহীত পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট খুব শীঘ্রই জমা করবে স্বরাষ্ট্র দপ্তরে। এই রিপোর্টের উপর ভিত্তি করেই স্বাস্থ্য দফতর হাঁটবে আইনি পথে। খবর অনুযায়ী, এর আগে অবশ্যই পশ্চিম জেলার জেলাশাসক বিশাল কুমার মনোশ্রীর বাবা ধ্রুব চৌধুরী ও রাজা সাহাকে ডেকে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করেছেন। তথ্য বলছে, ইতিমধ্যে কেন্দ্র ও রাজ্য গোয়েন্দা পৃথক পৃথক ভাবে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন জেলা শাসক বিশাল কুমারের সঙ্গে।


    যদিও মনশ্রীর বাবা ও তাদের ত্রাতা রাজা সাহা জোড়াতালি দিয়ে ক্রাউড ফান্ডিংয়ের অঙ্কের হিসাব বুঝানোর চেষ্টা করেছেন সাংবাদিক বৈঠক। কিন্তু তাদের কথাবার্তায় ছিল প্রচুর অসংলগ্নতা। সাংবাদিক বৈঠকে তারা অনেক কিছুর স্পষ্টিকরণ দিতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাতে সন্দেহ আরও তীব্র হয়। তাদের দেওয়া হিসাবে যে বহু গরমিল? তা আন্দাজ করতে কোনো সমস্যা হয় নি কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের ঝানু গোয়েন্দাদের কাছে।


তথ্য অনুযায়ী, রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর সহ  গোয়েন্দাদের কাছে মনোশ্রীর চিকিৎসা সংক্রান্ত ক্রাউড ফান্ডিংয়ের নানান ঘোটালার প্রমাণ চলে এসেছে। এটা আঁচ করতে পেরেই নিজেদের দোষ ঢাকতে মনোশ্রীর বাবা ও রাজা সাহা স্বাস্থ্য দফতরের কোর্টে বল ঠেলে দিচ্ছেন। ঘুর পথে তারা স্বাস্থ্য দফতরকে দোষারূপ করছেন।  এটা মোটেও কাম্য নয় বলে মনে করছেন রাজ্যের শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ।
    স্বাস্থ্য দফতর বলছে, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা নেতৃত্বাধীন  স্বাস্থ্য দফতর অনেক কিছুতেই তাদের ছাড় দিয়েছিল। শুধু মাত্র মনোশ্রীর চিকিৎসার কথা মাথায় রেখে। আর এখন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ধ্রুব চৌধুরী ও রাজা সাহা আঙুল তুলছে স্বাস্থ্য দফতরের দিকেই। তারাই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসে দাবি করেছিলেন, স্বাস্থ্য দফতর থেকে মনোশ্রীর চিকিৎসা সংক্রান্ত জারি করা বিজ্ঞপ্তিটি নকল।


গোয়েন্দার প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী,  চিকিৎসার নামে আদায়কৃত ক্রাউড ফান্ডিংয়ের দুর্নীতির উপর পর্দা টানতে মনোশ্রীর পরিবার ও রাজা সাহার নাকি কিছু লোকজনকে অর্থ দিয়ে ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন। এবং অনেকেই তাদের পাতা ফাঁদে পা’ও দিয়েছেন।। পকেটে ঢুকিয়ে নিয়েছেন কচকচে নোট।এই তথ্যও নাকি জ্বলজ্বল করছে গোয়েন্দার কাছেও। পকেটে টাকার নোট ঢুকানো লোকজনও নাকি এখন  গোয়েন্দার রাডারে। যেকোনো সময় গলায় লাগবে ক্রেন। তাই সাধু সাবধান।
        রাজ্যের আপামর মানুষের প্রার্থনা, যেকোনো মূল্যেই সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে আসুক নিষ্পাপ ফুটফুটে শিশু কন্যা মনোশ্রী চৌধুরী। আর ক্রাউড ফান্ডিংয়ের টাকার সমস্ত অনুপুঙ্খ হিসাব চাইছে আম জনতা।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *